আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই। ভুল করা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তবে এ ভুলকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির মানুষ ট্রল করে থাকে এবং ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয়। এ কাজটি তারা কখনো করে নিছক আনন্দ পেতে, আবার কখনো কোনো অসত্ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে। যে উদ্দেশ্য নিয়েই করুক না কেন, এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ। কারণ এর দ্বারা ঐ ব্যক্তিকে তার পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের চোখে খাটো করা হয়। ট্রলবাজরা ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়েই ট্রল করে তা নয়, কোনো বিশেষ স্থান, নির্দিষ্ট জাতি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইত্যাদি নিয়েও ট্রল করে। ভাষা, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ এমনকি ধর্মীয় বিশ্বাসও এই তালিকা থেকে বাদ পড়ে না। ট্রল এক ধরনের মানসিক রোগে পরিণত হয়েছে আজকাল। তাছাড়া আপত্তিকর এ বিষয়টি বাকস্বাধীনতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহের মতো বিষয়ের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। তাই বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের চিন্তাভাবনা একান্ত প্রয়োজন।
মো. সোহেল দেওয়ান
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
