চলতি হিসাবের সেবা খাতের ব্যয় বিদেশে প্রেরণের পদ্ধতি সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ এবং পরামর্শ ফি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পূর্ববর্তী বছরের আয়কর বিবরণীতে ঘোষিত বিক্রয়ের ১ শতাংশ অর্থ বিদেশে পাঠানো যায়। এখন কেবল এ দুটি খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যান্য সেবা ব্যয় যেমন— নিরীক্ষা, সার্টিফিকেশন, কমিশনিং, টেস্টিং প্রভৃতি ফি বাবদ ব্যয় নির্বাহ করা যাবে। আলোচ্য সুবিধা ইজেডস্থ প্রতিষ্ঠান যারা স্থানীয় বাজারে পণ্য টাকায় বিক্রি করে তাদের জন্যও প্রযোজ্য করা হয়েছে। তবে রয়েলটি, টেকনিক্যাল নলেজ বা অ্যাসিসটেন্ট ফি, ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে বিডার অনুমোদন এবং অন্যকোন ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আবশ্যকতা থাকলে তা গ্রহণ করতে হবে।
অপর একটি সার্কুলারের মাধ্যমে সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ ফি বাবদ অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রথমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণের আবশ্যকতা প্রত্যাহার করে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে প্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আলোচ্য সুবিধা ইজেডস্থ প্রতিষ্ঠান যারা স্থানীয় বাজারে টাকায় পণ্য বিক্রি করে তাদের জন্যও প্রযোজ্য করা হয়েছে। উভয় সার্কুলারে সংশ্লিষ্ট ফি প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উত্স কর, মূল্য সংযোজন কর ও অন্যবিধ মসুল কর্তন ও পরিশোধের বিষয় নিশ্চিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ঘোষিত নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত নির্দেশনার ফলে বৈদেশিক ব্যয় নির্বাহ সহজ হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন, বৈদেশিক লেনদেন ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত সময়োপযোগী করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট চলতি জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা প্রত্যাহার করায় বিদ্যমান ব্যবস্থা ব্যবসাবান্ধব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
