সামরিক খাতে বরাদ্দে ব্রিটেন ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২০, ২১:৩৮

সামরিক খাতে বছরে অতিরিক্ত আরো চার বিলিয়ন ডলার ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আগামী চার বছরের জন্য এই বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩০ বছরের মধ্যে সামরিক খাতে দেশটির এটাই সর্বোচ্চ ব্যয়।

ব্রিটিশ সরকার বলছে, এই তহবিলের মাধ্যমে আরো ৪০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এই অর্থ মহাকাশ এবং সাইবার প্রতিরক্ষা প্রজেক্ট যেমন কৃত্রিম গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহূত হবে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সামরিক খাতে অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণার সময় বলেন, ‘এটা বৈশ্বিক ক্ষেত্রে আমাদের প্রভাব বিস্তারকে আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।’ চলতি বছরের এই বাজেট আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ২০১৯ সালে কনজারভেটিভ দলের নির্বাচনি ইশতেহারে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর বিষয়টিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। জনসনের সরকার তাদের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেই সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা দিল।

ব্রিটিশ সরকার বলছে, তারা আশা করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সব মিলিয়ে আগের বছরের বাজেটের তুলনায় এ বছর ২৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার পাচ্ছে। তারা আগামী চার বছর এই অর্থ ব্যয় করবে। বুধবার এক বিবৃতিতে বরিস জনসন বলেন, তিনি করোনা ভাইরাসের এই মহামারি পরিস্থিতির মধ্যেই সামরিক খাতে ব্যয় বাড়িয়েছেন, কারণ প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মীরাই এই দুর্যোগে আগে এগিয়ে আসবে। তিনি আরো বলেন, শীতল যুদ্ধের পর অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরো বেশি বিপজ্জনক এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।

সামরিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়টি ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেন্সের জন্য এটি একটি বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য কঠিন লড়াই করেছেন তিনি। কেননা ব্রিটিশ রাজস্ব বিভাগ প্রতিরক্ষা খাতে সামান্যই বার্ষিক বৃদ্ধি করতে চেয়েছিল।