আমিরাতে অস্ত্র বিক্রির স্থগিত চান মার্কিন আইনপ্রণেতারা

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২০, ২১:৩৮

মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আচরণ নিয়ে চটেছেন মার্কিন কয়েক জন আইনপ্রণেতা। তাদের বক্তব্য, অতীতে সেখানে যেসব অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছে তা নানাভাবে বিভিন্ন অপরাধী গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে। আর এ কারণে দেশটির কাছে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি স্থগিত চান তারা। আলজাজিরা

ডেমোক্র্যাট সিনেটর বব মেনেন্ডেজ ও ক্রিস মারফি এবং রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল ঘোষণা দিয়েছেন, তারা আমিরাতের কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক রিপার ড্রোন, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদসহ অন্যান্য অস্ত্র বিক্রিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে চারটি পৃথক প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবেন। মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন আমিরাতের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রি করতে তাড়াহুড়োর মাধ্যমে কংগ্রেসের সাধারণ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া অবমাননা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এসব অস্ত্র বিক্রিতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে তদন্তে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে, সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটি এবং প্রতিনিধি পরিষদের বিদেশবিষয়ক কমিটির হাতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবনা বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। এক যৌথ বিবৃতিতে সিনেটর মারফি বলেছেন, আমিরাত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার। কিন্তু তাদের সাম্প্রতিক আচরণ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এসব অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে ব্যবহূত হতে পারে। প্রভাবশালী এ মার্কিন সিনেটর আরো বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত অতীতে অস্ত্র চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিপজ্জনক সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছেছে। আর তারা লিবিয়া এবং ইয়েমেনে আন্তর্জাতিক আইন মানতে ব্যর্থ হয়েছে।