রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা
নওগাঁর রাণীনগর থেকে আকনা যাওয়ার এলজিইডির আওতাধীন সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং ওঠে বেরিয়ে পড়েছে ইট-খোয়া। এরইমধ্যে খাজুরিয়া পাড়া, বিজয়কান্দি-বড়বড়িয়া স্কুল সংলগ্ন স্থান, সাতানী গ্রামের একাধিক স্থানে সংলগ্ন পুকুরের দিকে সড়কে ধস দেখা গেছে। তাছাড়া পুকুরপাড়ে রাস্তার পাশে থাকা গাছ উপড়ে পড়ায় ঐ স্থানে সড়কের ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়ছে।
রাণীনগর, নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচলের জন্য সাতানি, বিজয়কান্দি, বড়বড়িয়া, আকনা, বাঁশবাড়িয়াসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের প্রতিদিন চলাচলের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান, মটরসাইকেলসহ ছোট-বড় যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ধসে পড়া অংশে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাতের বেলা দুর্ঘটনার হার বেশি বলে জানান স্থানীয়রা। এছাড়াও সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বেড়েছে ভোগান্তি।
বড়বড়িয়া গ্রামের আখেরুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, দিন যতই যাচ্ছে রাস্তাটির অবস্থা করুণ হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে রাস্তার অংশ পুকুরের ধসে পড়ছে। এতে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
গোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খাঁন হাসান বলেন, শুধু রাস্তার সংস্কার করলেই হবে না। যে সব স্থানে রাস্তার দুপাশ দিয়ে মাটি নেই সেই পাশ দিয়ে নিরাপত্তার জন্য পালিসেড নির্মাণ করতে হবে। তা না হলে ভাঙনের হাত থেকে রাস্তা রক্ষা করা সম্ভব হবে না। আমি অনেকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. শহীদুল হক বলেন, রাস্তার দুপাশ দিয়ে পালিসেড নির্মাণ করার মতো কোনো বরাদ্দ আমার হাতে নেই। তবে উপজেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ দিলে করা সম্ভব। এছাড়া আমি রাস্তার বেহাল দশার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ভবিষ্যতে বরাদ্দ এলে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে।
