আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সব দলের রয়েছে। কিন্তু কর্মসূচির নামে জনগণের শান্তি ও স্বস্তি বিনষ্টের কোনো অপচেষ্টা করলে সমুচিত জবাব দিবে সরকার। গতকাল রবিবার কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ নৌবাহিনী শেখ হাসিনা ঘাঁটি সংযোগ সড়কের নির্মাণ প্রকল্পের সূচনা উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
সম্প্রতি বাসে আগুন দেওয়ার মাধ্যমে বিএনপি আবার জ্বালাও -পোড়াও রাজনীতিতে ফিরে গেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করাই হচ্ছে বিএনপির গণতন্ত্র। অপরাজনীতির জন্য জনগণ তাদের আন্দোলনে সাড়া না দেওয়ায় তারা আবার প্রতিশোধ নিতে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। বিএনপি অস্বীকার করলেও ভিডিও চিত্রে সব প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুখচ্ছবি কখনো মুখোশ দিয়ে ঢাকা যায় না, কথামালার চাতুরী দিয়ে সব ভুলিয়ে রাখা যায় না।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ বদলে দিয়েছে কক্সবাজারের সুনীল সমুদ্র অবলোকনের দৃশ্যপট। মেরিন ড্রাইভকে ঘিরে সম্প্রসারণের উদ্যোগও এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে। রামু, ফতেখারকুল, মরিচ্যা জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। কক্সবাজার লিংকরোড হতে লাবনী মোড় পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়কের কাজ শিগগিরই শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের শুদ্ধি অভিযান এখনো চলমান। দলীয় পরিচয়ে যারা অপকর্ম করছেন, তারা সরকারের নজরদারিতে রয়েছে। কেউ রেহাই পাবেন না। যারা আজকে বিপথে আছেন, তারা পথে আসুন। আমাদের কাছে অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই। দলীয় পরিচয় কারও আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না।
অনুষ্ঠানে কক্সবাজার প্রান্তে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তারা।
