অনলাইনে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাকে
রয়টার্স
দেশ ছেড়ে কানাডায় আশ্রয় পাওয়া সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুনের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিতে একজন নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। স্বাভাবিক জীবন শুরু না করা পর্যন্ত তার জীবনের হুমকি আছে উল্লেখ করে তাকে নিরাপত্তা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কুনুনকে কানাডায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় পাওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করা অভিবাসী প্রতিষ্ঠান ‘কস্টি’ ওই নিরাপত্তারক্ষী ভাড়া করেছে।
কস্টির নির্বাহী পরিচালক মারিও কালা সাংবাদিকদের বলেন, রাহাফকে অনলাইনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় রাহাফের জন্য রক্ষী নেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাভাবিক জীবন শুরু করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘এটা বলা অত্যন্ত কঠিন যে রাহাফ কতটা হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। তবে আমরা সেগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি।’
মঙ্গলবার টরেন্টোতে এক লিখিত বক্তব্যে রাহাফ বলেন, ‘আমি জানি কানাডা এবং বিশ্বের অনেকে আমার জন্য শুভ কামনা করেছেন। তারা জানতে চাইছেন, আমি এখন কী করছি। আমি এখানে অন্যান্য কানাডিয়ান নারীর মতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চাই।’ তিনি কানাডা, থাইল্যান্ড সরকার এবং জাতিসংঘের অভিবাসী সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে ধন্যবাদ জানান। নিজেকে সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে রাহাফ বলেন, ‘ঘর পালাতে গিয়ে অনেক সৌদি নারী নিখোঁজ হয়ে গেছেন। আমি জানি তারা কতটা দুর্ভাগা। তারা বাস্তবতার পরিবর্তন আনতে চাইলেও সেটা পারেন না।’
১৮ বছর বয়সী সৌদি তরুণী রাহাফের পালিয়ে আসার ঘটনা আলোড়ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মহলে। জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক সংস্থার অনুরোধে কানাডা রাহাফকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দেয়। গত শনিবার তিনি কানাডায় পৌঁছান।
