বোরো আবাদ ৫০ হাজার হেক্টর বাড়ানো হবে :কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২০, ২৩:৫৫

বন্যাসহ নানা কারণে এ বছর আমনের উত্পাদন ভালো না হওয়ায় বোরো আবাদ ৫০ হাজার হেক্টর বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আমনের উত্পাদন ভালো না হওয়ায় ধানের দাম খুব বেশি। এটা নিয়ে খুব চিন্তার মধ্যে রয়েছি। যে কোনো মূল্যে আমাদের আগামী বোরো মৌসুমে ধানের উত্পাদন বাড়াতে হবে।  

সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভা সঞ্চালনা করেন কৃষিসচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। কৃষিমন্ত্রী বলেন, বোরোর চাষযোগ্য কোনো জমি যাতে খালি না থাকে—সে ব্যাপারে কৃষকদের উত্সাহ দিতে হবে। এজন্য মাঠ থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সব কর্মকর্তাকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। কৃষকের পাশে থাকতে হবে।

ড. রাজ্জাক বলেন, শুধু বোরো ধান নয়, সামনে রবি মৌসুমে যে ফসলগুলো আছে যেমন : পেঁয়াজ, গম, আলু, ভুট্টা, সরিষা, শাকসবজি, মাষকলাইসহ সব ফসলের উত্পাদন বাড়াতে এখনই কাজ করতে হবে। দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিসহ সারা দেশে ভুট্টা চাষের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই এসব ফসল অত্যন্ত সফলভাবে উত্পাদনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি এখনই নিতে হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বোরো আবাদ বৃদ্ধির জন্য চলতি আমন মৌসুমের মতো আসন্ন বোরো মৌসুমেও প্রতি কেজি ধান বীজে ১০ টাকা হারে ভর্তুকি দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ৪৪ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪৮ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৮ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরের এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৬৮টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ২ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি প্রায় ১৩ শতাংশ।