জীবনের উপলব্ধি

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২০, ২১:৫৫

স্পোর্টস রিপোর্টার

জাতীয় দলের স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন গতকাল কাতারে গিয়েছেন।  আজ সেখানে সকালের সেশনেই অনুশীলন করবেন। জীবনের ফিরে আসায় জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্য্রে বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করছে। হাঁটুর ব্যথা নেই।  ২৮ নভেম্বর দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারবেন। তবে ৪ ডিসেম্বর কাতারের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে নামানো হবে বলে জানা গেছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ এমনটাই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের পর জীবন কাতারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি ডান পায়ের হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলেন। সেই ব্যথার কারণে কাতারের বিমানে ওঠা হয়নি। জাতীয় দলের অস্ট্রেলিয়ান ফিজিও জীবনকে ভালোভাবে দেখেছিলেন। তাকে কাতারে নিতেও চেয়েছিলেন, কিন্তু জীবন নাকি ঝুঁকি নেননি। তিনি মনে করেছেন, যদি ওখানে (কাতার) খেলতে না পারেন তাহলে গিয়ে লাভ কী? আর দলের কোচিং স্টাফের পরামর্শ ছিল দলের সঙ্গে থাকুক। যদি হাঁটুর ব্যথা ভালো হয়ে যায়, তাহলে খেলবেন। জীবন সেটা উপলব্ধি করতে পারেননি। এখন মনে করছেন তিনি ভুল করেছেন। দলের সঙ্গে চলে যাওয়াটাই ভালো ছিল। অস্ট্রেলিয়ান ফিজিও জীবনকে হাঁটুর ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথানাশক ওষুধ দিয়েছিলেন। জীবন বললেন, ‘মনে হয় অস্ট্রেলিয়ান ওষুধ ছিল সেটা। খুবই ভালো কাজ করে। এত দ্রুত ব্যথা সেরে যাবে আমি বুঝতে পারিনি। দ্রুত ব্যথা নেমে যাবে জানলে আমি দলের সঙ্গে কাতারে চলে যেতাম। এটাই আমার ভুল হয়েছে। সত্যি কথা বলতে কি, আমি তো ডান পায়ের প্লেয়ার। আর ব্যথাটাও ডান পায়ের হাঁটুতে। হাঁটু হচ্ছে একজন ফুটবলারের মেরুদণ্ড। এখানে কিছু হলে ক্যারিয়ার শেষ। একটু ভয়ও ছিল আমার। মনে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান ওষুধে ভালো কাজ হয়েছে।’

ঢাকায় নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই অসাধারণ খেলেছেন। নেপালের প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিলেন জীবন। এই প্লেয়ার কাতারের বিপক্ষে মাঠে থাকলেই যে কাতার কেঁপে উঠবে তা নয়। তবে এমন একটা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে অন্তত একজন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার থাকলে সুযোগ কাজে লাগার সম্ভাবনা থাকে। জীবন বললেন, ‘আমার ফিটনেস নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। আমার শরীর ফিট। স্বল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে ফিট করে তুলতে পারি।’