এসআই আকবর পালানোর ঘটনায় ওসিসহ তিন পুলিশ সাসপেন্ড

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২০, ২২:২৬

সিলেট বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হান হত্যার মূল অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র, মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক বাতেন ও কুতুব আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় গতকাল বুধবার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের।  পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানান আশরাফ উল্যাহ তাহের। এ বরখাস্ত গত ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সৌমেনকে রংপুরে এবং বাতেন ও কুতুব আলীকে সিলেট পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এ নিয়ে রায়হান হত্যা মামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও পাঁচ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে       গুরুতর আহত হন রায়হান। তাকে ঐদিন ভোরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহীসহ পুলিশ সদস্যরা। এর  কিছু সময় পর রায়হান হাসপাতালেই মারা যান। ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নগরের কাস্টঘরে গণপিটুনিতে রায়হান নিহত হন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এ দাবি          পৃষ্ঠা ২ কলাম ২

 প্রত্যাহার করে বলা হয়,  ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে প্রাণ হারান রায়হান। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।