পাকিস্তানে ধর্ষণের শাস্তি খোজাকরণ ও ফাঁসি

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২০, ২২:২৮

ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলেই ধর্ষককে রাসায়নিক ইনজেকশন দিয়ে তার খোজাকরণের (পুরুষত্ব হরণ করা) আইন পাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধর্ষণের গুরুতর শাস্তি হিসেবে ফাঁসির বিধান বলবত্ থাকবে। মঙ্গলবার দুটি অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ। পাকিস্তানের সংসদও আইন দুটি পাশ করেছে।  পাকিস্তানে ধর্ষণের ঘটনায় লাগাম টানতে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফাঁসি কিংবা খোজাকরণের মতো শাস্তিগুলো প্রকাশ্যে দেওয়া হবে না বলে জানায় দেশটির গণমাধ্যম। খবরটি দিয়ে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান টিভি নিউজ চ্যানেল জিও টিভি জানিয়েছে, দেশে ক্রমবর্ধমান যৌন নিগ্রহ ও  ধর্ষণের ঘটনা রুখতে সরকার বাধ্য হচ্ছে এই ব্যবস্থা নিতে। এ ব্যাপারে চিকিত্সা বিজ্ঞানের যে প্রথার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে তার নাম ’ক্যাস্ট্রাসইজেশন’। এই প্রথায় রাসায়নিক ইনজেকশন     প্রয়োগ করে চিরতরে পুরুষত্ব বিলোপ করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। নতুন এ অধ্যাদেশকে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত আখ্যা দিয়েছে সরকার। ধর্ষণের নতুন সংজ্ঞায় ট্রান্সজেন্ডার এবং গণধর্ষণের বিষয় দুটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে ধর্ষণের শিকার নারীর শরীরে চিকিত্সক দ্বারা বিতর্কিত টু-ফিঙার পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের পর তথ্যমন্ত্রী শিবলি ফারাজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ধর্ষণের মৌলিক সংজ্ঞায় পরিবর্তন এনে ধর্ষণবিরোধী দুটি অধ্যাদেশে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ। গণধর্ষণের অভিযুক্তদের চরম শাস্তি নিশ্চিতে ফাঁসির সুপারিশ করা হয়েছে।