সারাদেশে শীত পড়তে শুরু করেছে। বাজারদর, করোনা সংক্রমণ ইত্যাদি সবকিছু মিলে এবারের শীতকাল কেমন কাটবে? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ
অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই শীতের চাদর যেভাবে প্রকৃতিকে ঢেকে রেখেছে তাতে পৌষ ও মাঘ মাসে ঠান্ডার অত্যধিক প্রকোপ অনেকটাই অবধারিত। করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ের হার এই কদিনে আবার বেড়েছে। অন্য দিকে, আলু, পেঁয়াজ, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও শীতকালীন সব সবজির দাম চড়া। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আয় বা ক্রয়ক্ষমতার স্বাভাবিক ছন্দপতনের এমন ক্রান্তিকালে প্রচণ্ড শীত, অদৃশ্য ভাইরাস এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্যের অস্থিরতা এই তিন পক্ষের বিপক্ষে যুদ্ধটা খুব কঠিন হতে বাধ্য।
আবু ফারুক, বনরূপাপাড়া সদর, বান্দরবান।
করোনা মহামারি সবকিছুকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এবার শীতের শুরুতেই করোনা সংক্রমণের বড় ধরনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। করোনার এই সময়ে উচ্চমূল্যে অবস্থান করছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার। এবারের সময়টা দেশের মানুষের জন্য একটি দুর্যোগময় পরিস্থিতির মতো। দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে ব্যাপক কৃষি উত্পাদন বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এজন্য আবাদি জমি যা পড়ে আছে সেগুলোতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সহায়তা নিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীকে সবজিসহ বিভিন্ন ফসল উত্পাদনের দিকে ধাবিত করা প্রয়োজন। করোনা মহামারিতে সবার সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। একটু অসচেতনতার কারণে আরো বড় ধরনের দুর্যোগের দিকে নিয়ে যেতে পারে। মাস্ক পরিধান, হাত ধোয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি এবং সরকারের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা করা হচ্ছে না অনেক ক্ষেত্রে।
এস এম হূদয়, ফ্রিল্যান্স সংবাদকর্মী, ঢাকা।
শীত পড়তে শুরু করেছে। করোনা সংক্রমণের সংখ্যাও চিন্তামুক্ত হওয়ার মতো নয়। এই মৌসুমে করোনা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় বিশেষজ্ঞদের মতানুযায়ী কঠোর সতর্কতার কোনো বিকল্প নাই। অর্থনীতির কথা চিন্তা করে পুনরায় লকডাউনেরও সুযোগ খুব কম। তাই সবারই মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এদিকে শীত মৌসুমের শাকসবজিসহ বিভিন্ন পণ্য বাজারে ওঠতে শুরু করেছে। সবাই সব বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে থাকলে আশা করা যায় এবারের শীত দেশবাসীর জন্য ভালোই কাটবে। ইনশাআল্লাহ।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।
আগামী সম্পর্কে বলা মুশকিল, তার পরেও বলতে হয়, করোনাতে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠাই মুশকিল, তারপরে নতুন করে যদি আবার করোনা আঘাত হানে তবে তা হবে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। পণ্যের মূল্য যেভাবে বাড়ছে তাতে অর্থনৈতিক দিক ভালো যাবে না। শহরগুলোতে শীতের প্রভাব এখনো তেমন পরিলক্ষিত নয়। তবে শীতের কাপড় সংগ্রহে রাখতে হবে, সঙ্গে এলাকাভিত্তিক খাবার মজুত রাখতে হবে যাতে প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো যায়। শীতের শাকসবজি উত্পাদন যথেষ্ট তবে, পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় কম আয়ের মানুষের জন্য সমস্যা একটু বেশি। ভালোর প্রত্যাশা রাখি।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
১/১/১,৬/ডি, মিরপুর সেকশন-৬, ঢাকা।
এমনিতেই শীতকালে সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ফ্লু, নিউমোনিয়ার মতো রোগগুলো বাড়ে। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে না পারলে শীতে ঝুঁকি বাড়বে। বাধ্যতামূলক হলেও মাস্ক পরছেন না সবাই। রাস্তায়, যানবাহনে, হাটবাজারে জনসমাগম হচ্ছে আগের মতোই; সামাজিক দূরত্ব রক্ষার কোনো বালাই নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের এই শৈথিল্য শীতে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে। দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। লকডাউন করতে হবে। সেই সঙ্গে করোনার কারণে অনেকে বেকার। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে না পেরে চাহিদার থেকেও কম পণ্য কেনে বাড়ি ফিরছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা। বাজারদর, করোনা সংক্রমণ সবকিছু মিলে এবারের শীত দেশবাসীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জই বটে।
মোহাম্মদ শহীদউল্যা
হক ভিলা, মেরাদিয়া, ঢাকা।
শীত তীব্র হচ্ছে, করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। সংসার জীবনের নিত্য প্রয়োজনে ও জীবিকার সন্ধানে শীত উপেক্ষা করে গ্রাম-গঞ্জে, শহর-বন্দরে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণি ছুটছে রাত-দিন। পণ্য বাজার সিন্ডিকেটে দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দেশে-বিদেশে কর্ম হারিয়ে খেত-খামারে ফসলাদি ফলিয়েছে। উত্পাদন হয়েছে ভালো। জনসাধারণের হাতে নেই টাকা-কড়ি। সব মিলে শীতে দেশবাসী থাকবে না স্বস্তিতে।
জিয়াউল হক সরকার, পূবাইল, গাজীপুর।
সবেমাত্র শীত শুরু হয়েছে। এতে চালসহ কাঁচামাল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের বাজারদরে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ। বাজার দরের কোণঠাসা স্বল্প আয়ের মানুষ। এরপরে নতুনভাবে যোগ হয়েছে করোনা পরিস্থিতি। করোনার স্বল্প আয়ের মানুষ ভোগ্যপণ্য সামগ্রী ক্রয় করতে গিয়ে দুমড়েমুচড়ে যাচ্ছে করোনা পরিস্থিতিতে আয়-উপার্জন হারিয়ে। একদিকে উপার্জন কম, অন্যদিকে করোনা আক্রান্তের ভয়ে রয়েছে মানুষ। বাজারদর রুখতে হলে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী আমদানি-রপ্তানির সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত হতে হবে। পণ্য আমদানির নামে কেউ যেন অর্থপাচার করতে না পারে। সবাইকে আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে। আশাতীত মাথাপিছু আয় বাড়েনি। আসন্ন শীত মৌসুম ভালোভাবে কেটে যাবে সবার—এমন প্রত্যাশা করি।
ফারুক আহমেদ
বাঘমারা, রাজশাহী
আমাদের দেশে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ছোট আকারে মহামারি দেখা দিয়েছে অতীতে। কিন্তু বর্তমান সময়ে করোনাকালের মতো ভয়াবহতা সৃষ্টি হয়নি। করোনাকালের জন্য সামাজিক দূরত্ব বেড়েছে। আত্মীয়তার বন্ধনও শিথিল হয়ে গেছে। এর মধ্যে দ্রব্যমূল্যের উচ্চগতির ফলে মানুষ আরো অস্থিরতার মধ্যে পতিত হয়েছে। শীতকালে উত্সবের যে রীতিনীতি ছিল সেখানেও ভাটা পড়ে গেছে। তবে এর মধ্যে আমাদের হতাশ হলে চলবে না।
মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
আমাদের দেশে ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের মৌসুম সবচেয়ে মজা। শীতে নানা প্রকার খাওয়া-দাওয়া হয়। কিন্তু এ বছর করোনাকালে বাজারদরে সবকিছু ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মানুষের হাতে অর্থও নেই। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের মানুষেরা ভোগান্তিতে পড়েছে। কেননা এসব শ্রেণীর মানুষের ক্রয়-ক্ষমতা কমেছে। তারপরও প্রত্যাশা—শীতের আমেজ ও শীতের মৌসুম ইনশাল্লাহ ভালোভাবে অতিবাহিত হবে।
খন্দকার মাসুদ উজ জামান
তোপাখানা রোড, ঢাকা
বর্তমানে বাংলাদেশে শীত, বাজারদর, করোনার সংক্রমণ এবং এতে মৃত্যুর হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কবে যে এসবের হাত থেকে স্বস্তি ফিরে পাবো তা একমাত্র মহান আল্লাহপাকই ভালো জানেন। তবুও জীবন বাঁচার তাগিদে মানুষ আশায় আশায় পথ চেয়ে বসে থাকে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার শীত কিছুটা আগাম বলে মনে হচ্ছে। তাই দেশবাসীর এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। করোনা প্রতিরোধে নিয়মকানুনগুলিও পালন করতে হবে। এছাড়া সরকারকেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আলহাজ মো. জাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (নিফজু)
উপদেষ্টা, নজরুল একাডেমী
হাউজিং এস্টেট, ২নং মেকহীর, রাজশাহী।
এবারের শীতের বিশেষ দিক হচ্ছে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাক্স ব্যবহারসহ দূরত্ব বজায় রেখে চলা। আর বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন সরকারের আন্তরিকতা ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা। আমরা অবশ্যই আশা করি এবারের শীত কাটবে ভালো।
হোসনে আরা বাশার নীলা, হাজারীবাগ, ঢাকা
শীত মানেই মজার ও আনন্দের সময়। এই শীতের মৌসুমে নানা পদের পিঠা খাবার ও বিনোদনমূলক নানা মহোত্সবের আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবার আমাদের দেশে শীত এসেছে নানা জটিলতা নিয়ে। একদিকে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণসহ এর নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। অন্যদিকে বাজারদরের ঊর্ধ্বগতি। তবে বাজার যাতে ঊর্ধ্বগতি না হয়, সে বিষয়ে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত জরুরি।
আইরিন সুলতানা সনজু, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম।
শীতে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশবাসীর ভালো থাকার আশা অনেকটাই ক্ষীণ। করোনার পরিস্থিতির যদি আরো অবনতি ঘটে, তবে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে। সরকার যদি নিত্যপণ্যের দামের লাগাম টানতে না পারে এবং স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করে জনগণের প্রাপ্য সেবা দিতে ব্যর্থ হয়; তবে জনদুর্ভোগের সীমা ছাড়িয়ে যাবে।
মুহাম্মদ কালাম আজাদ, সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
করোনা সংক্রমণ, বাজারদর—সবকিছু মিলিয়ে এবছরের শীতকাল দেশবাসীর কাছে অবশ্যই অন্যরকম কাটবে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শীতের সময় অত্যন্ত জরুরি বিষয়; পাশাপাশি বাজার দরের বিষয়টি সরকারকেই নজরে রাখতে হবে।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহদীদ উল্লাহ
মিরপুর, ঢাকা
প্রতিবারের মতো এবারের শীত তেমন কোনো আনন্দ-উত্সবে কাটবে না। যেহেতু করোনা সংক্রমণে মানুষের চলাচল ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ রয়েছে, তাই সেদিকেই সবার মনোনিবেশ রয়েছে। অন্যদিকে বাজারদর যেভাবে বেড়েছে, সেটি গরিব ও মধ্যবিত্তের জন্য কষ্টদায়ক বটে। তাই বাজারদর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে হবে।
মো. মিজানুর রহমান প্রধান
গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
শীতের আগমনে সারা বিশ্বে করোনার প্রভাব বেড়ে চলেছে। আমাদের দেশে সাধারণত শীতকাল শুরু হয় আরো দেরিতে। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ একসময় ভয়াবহ কষ্টে দিনযাপন করত। সামনের দিনগুলোতে করোনা আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। এখন থেকেই প্রস্তুতি না নিলে মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়ে যাবে।
খন্দকার কামরুলজামান
মিরপুর, ঢাকা।
শীত পড়তে শুরু করেছে। দেশের প্রকৃতির পরিবর্তন হয়েছে। শীতে দেশের জনগণের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি মানুষের জন্য অনুকূল নয়। করোনা নামক বিষফোড়া দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৃতের সংখ্যাও কম নয়, যা মানুষের মনে ভীতি সৃষ্টি করছে। অন্য দিকে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশচুম্বী, যা জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বাধাগ্রস্ত করছে। সর্বোপরি সবকিছু মিলিয়ে এ বছরের শীত দেশের জন্য সুখকর হবে না।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটি কারণে শীতে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে। আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় খুব দ্রুত ড্রপলেট শুকিয়ে যাবে। মাস্ক না পরলে কাশি, সর্দির সঙ্গে আসা জীবাণু বাতাসে বেশি সময় ভাসমান থাকবে। এ ছাড়া শীতে ধুলাবালি বেড়ে যায়। ধুলাও জীবাণুর বাহক হিসেবে কাজ করে। ঘর, বাসের দরজা-জানালা বন্ধ থাকলে জীবাণু ভেসে বেড়াবে, মাটিতে পড়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে না ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ হার বেড়ে যাবে। তাই শীতকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে বাড়ছে উত্কণ্ঠা। ঠান্ডাজনিত রোগ বৃদ্ধি, গণপরিবহনে দরজা-জানালা বন্ধ থাকা, সামাজিক অনুষ্ঠান বেশি হওয়ায় সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই, আসছে শীতে আমাদের জন্য খুব কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
পিঠা-পুলির মিষ্টতায় একটি আনন্দময় ঋতু শীতকাল। এ সময় ঠান্ডা থেকে সতর্ক থাকা উচিত।
সালেহা আফরিন বেবী, শিবগঞ্জ, সিলেট।
‘শীতে তাপমাত্রা ও কম আর্দ্রতা করোনা ভাইরাসকে আরো বেশি সময়ের জন্য বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেবে। সেই সঙ্গে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে করোনা ভাইরাস মানুষের ওপর আরো বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও অন্যান্য সর্দিজনিত রোগের কারণে করোনায় মৃত্যুর হারও বাড়তে পারে। যত দিন আক্রান্ত ব্যক্তি থাকবে তত দিন করোনা সংক্রমণ থাকবে। গ্রীষ্মের তাপে যদি করোনার জীবাণু ক্ষতিগ্রস্তই হতো, তবে ইকুয়েডর, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় করোনা বিস্তার ব্যাপক আকার ধারণ করতো না।
বিলকিছ আক্তার, টাঙ্গাইল।
