মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানচালক থাকেন উদ্বিগ্নে
রুমী খোন্দকার, পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের মহাসড়ক সংস্কার কাজ শুরু হলেও পুরো সম্পন্ন হয়নি। ফলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার (গাছপাড়া-ঈশ্বরদী) রাস্তা গত কয়েক মাস যাবত্ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। রাস্তার পাথর তুলে ফেলায় এবড়োথেবড়ো হয়ে আছে। মহাসড়কের এমন অবস্থা যে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানচালক ও যাত্রীরা থাকেন উদ্বেগ-উত্কণ্ঠায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিনিয়ত মারাত্মক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহী থেকে শুরু করে সিএনজিচালিত ট্যাক্সিসহ তিন চাকার মোটরযানগুলোকে। কয়েক ইঞ্চি চওড়া মার্জিনের মতো লম্বা করে রাখা ত্রুটিপূর্ণ সড়কে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। অটোবাইক, সিএনজিসহ তিন চাকার যানবাহনও চলছে ঝুঁকি নিয়ে। মহাসড়কে চলতে গেলে গাড়িগুলো রীতিমতো দোল খায়। জেলার মহেন্দ্রপুর এলাকার আরিফ প্রায় প্রতিদিন বাড়ি থেকে পেশাগত কাজে ঈশ্বরদী মোটরসাইকেলে যাতায়াত করেন। তিনি বলেন, কয়েক মাস হয়ে গেল এমনই ত্রুটিপূর্ণ সড়ক দেখছি। চলার সময় ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। কখনো কখনো ভারী গাড়িগুলো অনিয়ন্ত্রিত চলাচল করে এই অবস্থায় মোটরসাইকেল একটু ভারসাম্য হারালেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ মহাসড়ক দিয়ে ভয়ে ভয়ে চলাচল করতে হয়। সিএনজি চালক কাশেম বলেন, প্রতিদিন এই পথে যাত্রী নিয়ে ১৫ কিলোমিটার দূরে যেতে হয়। সড়কের এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আমরা শঙ্কিত। এই মহাসড়কসংলগ্ন দাশুড়িয়ার মিরকিমারি হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে রাস্তা সংস্কারের এখতিয়ার নেই কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির। রাস্তা সংস্কারের নামে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হয় সড়কে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যায় না।
পাবনা জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জোহা জানান, পাথরের সমস্যা থাকায় কাজ বিলম্বিত হয়েছে। এখন সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। তাই সড়ক এমন রাখা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
