দলিত নারী সম্মেলনে বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
সমাজে দলিত নারীদের পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ অশিক্ষা ও বাল্যবিবাহ। তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা হয় না। ফলে কিশোরী বয়সে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে তারা যৌতুক বা পণ প্রথার শিকার হয় এবং সন্তান জন্ম দেওয়া আর লালন-পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ তাদের জীবন। যদিওবা কেউ স্কুলে যায়, সেখানেও তাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বৈষম্যের শিকার হতে হয়। এ কারণে তারা স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়। এ সমস্যাগুলো শহরাঞ্চলে কিছুটা কম হলেও গ্রামাঞ্চলে প্রকট। ফলে দলিত নারীদের আর্থসামাজিক মর্যাদা তলানিতেই পড়ে থাকে। এজন্য দলিত নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা। শুক্রবার মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘দলিত নারী সম্মিলনী-২০২০’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব কথা বলেন। দলিত নারী ফোরাম ও বাংলাদেশ দলিত নারী ফেডারেশন যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলিত নারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মণি রানি দাস। এ সময় সম্মানিত অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সংরক্ষিত আসন-৩০ এর সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার ও সংরক্ষিত আসন-৩৭ এর সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা পরিষদের পরিচালক (অ্যাডভোকেসি) জনা গোস্বামী, কন্যা-শিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাসিমা আক্তার জলি, নারী পক্ষের প্রকল্প পরিচালক সামিয়া আফরিন, নাগরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন। আরো বক্তব্য রাখেন দলিত নারী ফেডারেশনের সহসভাপতি দীপা মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্তী রানি দাস, কোষাধ্যক্ষ আয়নামতি বিশ্বাস, দলিত নারী ফোরামের সহসভাপতি সনু রানি দাস, দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলনের সহসভাপতি বিভূতোষ রায়, সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার ভক্ত।
