বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে ভাই-ভাবিকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে এই হামলার পর গুরুতর আহত দুলাল বাবুর্চি ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। এদের মধ্যে দুলালের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার বাম পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এছাড়া শরীরে ১৫ থেকে ২০টি ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন রয়েছে। আহত দুলাল বাবুর্চি ও হামলাকারী নুরু বাবুর্চি ঐ গ্রামের মৃত হাসেম বাবুর্চির ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. খাইরুল ইসলাম জানান, রাতে দুলাল মোটর সাইকেলযোগে কাউরিয়া বাজার থেকে বাড়িতে যাচ্ছিল। বাড়িতে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে ছোট ভাই নুরু ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে দুলাল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। তার বাম পা কুপিয়ে প্রায় বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় দুলালের স্ত্রী নিলুফা স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে নুরু। হিজলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অসীম কুমার সিকদার বলেন, নুরু সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। সম্প্রতি সে কারাগার থেকে মুক্ত হয়। এভাবে একাধিকবার কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে সে আবার পূর্বের চেহারায় ফিরে যায়। তার হাতে গ্রামের প্রায় ২৫ জন লোক আহত হয়। নুরুকে আটকের চেষ্টা চলছে।
