গত ২৮ নভেম্বর বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের নিয়োগ পরীক্ষায় পাঁচজন জালিয়াত ধরা পড়ে, যারা অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে। চাকরির পরীক্ষাগুলোতে অনায়াসে একজনের হয়ে আরেকজন দিয়ে দেয়! বিশেষ করে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোতে এই প্রবণতা লক্ষণীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দেখেছি— অনেক বড়ভাইকে টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ— ওএমআর শিটে যেন বাংলা এবং ইংরেজি হাতের লেখার কমপক্ষে দুই লাইনের ব্যবস্থা থাকে এবং এগুলো পরবর্তী সময়ে ভাইবা ও চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় চেক করা হলে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. কামরুল হাসান
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
