সিলেট বিদ্যুেকন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড

শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২০, ২৩:০১

নগরীর কুমারগাঁও বিদ্যুত্ উপকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে সাধারণ মানুষের সংশয় ও কৌতূহল ঘুরপাক খাচ্ছে। নিম্নমানের যন্ত্রপাতির ব্যবহার, দুুর্নীতি, তদারকির অভাব নাকি নিছক দুর্ঘটনা—এর সঠিক উত্তর জানতে চান তারা। তবে গত শনিবার সন্ধ্যায় পিডিবির তদন্ত কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন জানান, শর্ট সার্কিটের কারণেই এই দুর্ঘটনা। তিনি বলেন, গ্রিড লাইন,  যন্ত্রপাতি ট্রান্সফরমারসহ আনুমানিক ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, এ সংক্রান্ত  তদন্ত  প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী আরো জানান, বিদ্যুত্ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মেরামতের  কারণে কোনো কোনো সময় বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ থাকে। তবে ভোগান্তির পর্যায়ে নয়। গত ১৭ নভেম্বর সিলেটের কুমারগাঁও এলাকার পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় গ্রিড লাইনের উপকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৫৪ ঘণ্টার দুর্ভোগ পোহাতে হয় ঐ এলাকার সাড়ে ৪ লাখ গ্রাহক ও ২০ লক্ষাধিক অধিবাসীকে।

এদিকে বিদ্যুেকন্দ্রের নিরাপত্তা, নিম্নমানের যন্ত্রপাতি ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে এতবড় বিপর্যয় বলে অনেকেই মনে করেন। পার্শ্ববর্তী একটি এনার্জি প্রকল্প থেকে দুর্ঘটনার সূত্রপাত বলে কথা উঠলেও ভিন্নমত পোষণ করে দেশ এনার্জির প্রকল্প পরিচালক জাকিউল হক বলেন, আমাদের উত্পাদনকেন্দ্র থেকে আগুন ছড়ায়নি। তারা যে লাইনের মাধ্যমে পিডিবিকে বিদ্যুত্ দেয়, সেই লাইনের সার্কিট আগুনে পুড়ে যায়, যা পিজিসিবির উপকেন্দ্রের ভেতরে অবস্থিত। ফলে আগুনের সূত্রপাত সেখানেই।  তবে বিদ্যুেকন্দ্রের দুর্বল নিরপত্তা ব্যবস্থার  বিষয়টি উঠে এসেছে বিদ্যুত্ বিভাগের তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্টদের কাছেও।