সাম্রাজ্যবাদ ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস দরকার

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০০:১৬

ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে গতকাল রবিবার ঢাকায় ওয়েবিনার হয়েছে। ‘হানড্রেড ইয়ার্স অব কমিউনিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া :দ্য স্ট্রাগল অ্যাগেইনস্ট ইম্পারিয়ালিজম অ্যান্ড কমিউনিজম ফর সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে বক্তারা বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদ ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে ওয়েবিনার পরিচালনা করেন পার্টির পলিটব্যুরোর অন্যতম নেতা ড. সুশান্ত দাস। ওয়েবিনারে মূল পত্র উত্থাপন করেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে অংশ নেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআইএম)-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির সিনিয়র কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল, পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. আয়াজ মোহাম্মদ, সর্বভারতীয় ফরওয়ার্ড ব্লকের আন্তর্জাতিক কমিটির ইনচার্জ জি দেবরাজন।

মূল পত্রে ফজলে হোসেন বাদশা বাংলাদেশে তেভাগা আন্দোলন, টংকা আন্দোলনসহ বামপন্থিদের বিভিন্ন আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন। সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার পর শতবর্ষ ধরে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের কমিউনিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ১৯২০ সালে ভারত উপমহাদেশে কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা হলেও তা পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিস্তার লাভ করে।

মাধব কুমার নেপাল বলেন, শতবর্ষে দক্ষিণ এশিয়ায় কমিউনিস্ট আন্দোলন ঐতিহাসিক, দ্বান্দ্বিক ও বস্তুবাদী ধারা পার করেছে। ড. আয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. সাজ্জাদ জহির সেই সময় পার্টির নেতৃত্ব দেন এবং গোপনে তিনি শ্রমিক ও কৃষকের মধ্যে পার্টি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। দেবরাজন বলেন, ভারতে ১৩টি ট্রেড ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিরই নেতৃত্ব দিচ্ছেন বামপন্থিরা।