ভিশন-২০২১-এর মূল দর্শন হচ্ছে ভবিষ্যত্ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের মানবসম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও অন্যান্য সম্পদের দক্ষতা বাড়িয়ে দারিদ্র্যবিমোচন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে স্থান করে নিতে হলে অবশ্যই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য নিম্ন মাধ্যমিক স্তর থেকে স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত ভোকেশনাল শিক্ষাক্রম চালু করা একান্ত প্রয়োজন। আর তাই বৃত্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা জরুরি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এইচএসসি ভোকেশনাল ও এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের ভোকেশনালে উচ্চতর শিক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল কোর্স চালু করতে হবে। প্রস্তাবিত কোর্সটি হবে তির বছর মেয়াদি। এর প্রথম বর্ষ সফলভাবে পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা ইন ভোকেশনাল সনদ পাবে, দ্বিতীয় বর্ষ সফলভাবে পাশ করার পর অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা ইন ভোকেশনাল সনদ পাবে এবং তৃতীয় বর্ষ সফলভাবে পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থী ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল সনদ পেয়ে যাবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং/ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার/ সমমান পাশকৃত এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমে কর্মরত এমপিওভুক্ত ট্রেড বিষয়ের শিক্ষকদের ডিপ্লোমা ডিগ্রির ক্রেডিট ও কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন কোর্স চালু করা যেতে পারে।
রিপন কুমার দাস
ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়,
পটুয়াখালী
