টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এবার দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এই মামলায় ইতিমধ্যে দুই বছর জেলহাজতে থেকে জামিনে বেরিয়ে আছেন মুক্তির ভাই টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তত্কালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। এই মামলার আসামি তাদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এখনো আত্মগোপনে রয়েছেন।
গতকাল বুধবার টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তি আত্মসমর্পণ করলে বিচারক সিকান্দার জুলকার নাঈন শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, প্রায় ছয় বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা সহিদুর রহমান খান মুক্তি গতকাল আদালতে হাজির হন। পরে তার আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করলেও জামিন শুনানি শেষে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদ গুলিতে নিহত হন। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুই জনকে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার করে।
