খাবার হিসেবে বাজারে আসছে ল্যাবে তৈরি কৃত্রিম মাংস

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:১৫

গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম মাংস নিরাপদ খাদ্য হিসেবে বিক্রির অনুমতি দিয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির খাদ্য মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (এসএফএ) মার্কিন এক প্রতিষ্ঠানের তৈরি কৃত্রিম মাংস পরীক্ষার পর তা নিরাপদ বলে জানায়। সিঙ্গাপুরই প্রথম দেশ যেখানে গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম মাংস বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য অনুমোদন দেওয়া হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কভিত্তিক পত্রিকা ব্লুমবার্গের খবরে আরো বলা হয়, প্রাণী কোষ সংগ্রহ করে গবেষণাগারে তৈরি করা হয় কৃত্রিম মাংস। তবে এসব কোষ সংগ্রহ করতে কোনো প্রাণীকে হত্যা করা হয় না। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘ইট জাস্ট’ এই মাংস তৈরি করেছে। সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ায় দেশটির এক রেস্টুরেন্টে ‘চিকেন বাইট’ নামক এ মাংস শিগিগরই বিক্রির জন্য সরবরাহ করবে ইট জাস্ট। মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি কৃত্রিম মাংসের উত্পাদন বাড়াতে এরই মধ্যে বিনিয়োগও শুরু করেছে। চিকেন বাইট নামক কৃত্রিম মাংস দিয়ে চিকেন নাগেট তৈরি করে ইট জাস্ট। সিঙ্গাপুরে অনুমতি পাওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে এসব মাংস বাজারে আসার অপেক্ষায়। তবে ঠিক কবে নাগাদ গবেষণাগারে তৈরি মাংস বাজারে পাওয়া যাবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ইট জাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম মাংসে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহূত হয়নি। প্রকৃত মুরগির মাংসের তুলনায় তাদের তৈরি মাংসে কম মাইক্রোবায়োলজিক্যাল উপাদান রয়েছে। ইট জাস্টের দাবি সিঙ্গাপুরে অনুমোদন পাওয়ায় ভবিষ্যতে জীবিত প্রাণী হত্যা ছাড়াই মাংসের চাহিদা পূরণের সুযোগ তৈরি হলো। লন্ডনভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বারক্লেইসের হিসাবে, বিকল্প মাংসের বাজারের আকার হতে পারে ১৪০ বিলিয়ন ডলার কিংবা বৈশ্বিক মাংস শিল্পের ১০ ভাগ।