নভেম্বরে কমেছে মূল্যস্ফীতির হার

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

গেল নভেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগের মাস অক্টোবরে এই হার ছিল ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে আসায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। তবে কিছুটা বেড়েছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার। শহর ও গ্রাম উভয় পর্যায়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।

বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, এক মাসের ব্যবধানে চাল, আটা, চিনি, মসলার দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে ভোজ্য তেল, আলুর দাম। অন্যদিকে কমে এসেছে মাছ, ডিমসহ বিভিন্ন সবজির দাম। সার্বিকভাবে দেশের খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার অক্টোবরে ৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ হতে নভেম্বরে ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার অক্টোবরে ৫ শতাংশ থেকে নভেম্বরে বেড়ে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গ্রাম ও শহর পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নভেম্বরে গ্রামীণ পর্যায়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ যা অক্টোবরে ছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার অক্টোবরের ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ হতে নভেম্বরে কমে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে গ্রামীণ অঞ্চলে অক্টোবরে মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৬২ হতে বেড়ে নভেম্বরে ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ হয়েছে।

শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অক্টোবরে শহর পর্যায়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ যা নভেম্বরে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। শহর পর্যায়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার অক্টোবরে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ থেকে নভেম্বরে কমে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ হয়েছে। সেই সঙ্গে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ হয়েছে।

বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, গত এক বছরের (২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতির হার নিরূপিত হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৭৩ ভাগ। তার আগের বছরের একই সময় ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৫৬ ভাগ।