খুলনা অফিস
খুলনা মহানগরীর ২২টি মোড়ের শোভাবর্ধন ও সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ‘নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন প্রকল্প’-এর আওতায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের জিআইজেড সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ২২টি মোড়ের উন্নয়নসংক্রান্ত সভায় এই তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ড্রেনেজ এবং সড়কের উন্নয়নকাজে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
শোভাবর্ধন ও সংস্কারের পরিকল্পনায় থাকা মোড়গুলো হচ্ছে—বঙ্গবন্ধু চত্বর (ময়লাপোতা মোড়), সোনাডাঙ্গা থানা মোড়, খুলনা মেডিক্যাল কলেজের সামনে, বয়রা বাজার, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ মোড়, শিববাড়ী, বৈকালি, গোয়ালখালি, নতুন রাস্তা, দৌলতপুর বাজার মোড়, রয়্যাল মোড়, পিটিআই মোড়, টুটপাড়া কবরখানা মোড়, শান্তিধাম মোড়, পাওয়ার হাউজ মোড়, রেলস্টেশন মোড়, নিরালা মোড়, গল্লামারী মোড়, নূর অপটিক্যাল মোড়, কেসিসি সুপার মার্কেট মোড়, খালিশপুর মুহসিন মোড়, সদর থানা এবং হাজি মুহসিন মোড়।
সভায় কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে ৩৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হয়েছে জানিয়ে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ নয়ছয় করা যাবে না। সঠিক সময়ের মধ্যে এর কাজ শেষ করতে হবে। যারা অবৈধ জায়গা দখল করে রেখেছেন তারা অতিসত্বর ছেড়ে দেবেন। ফুটপাত জনগণের চলাচলের জন্য, কোনো হকারের জন্য নয়।’
কোনোক্রমেই নগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল এবং লাইসেন্স ছাড়া কোনো ইজিবাইক নগরীতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না—উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা, খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী, চিফ প্ল্যানিং অফিসার মো. আবির-উল-জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান, মো. জাহিদ হোসেন শেখসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
