বুধবার রাতের অন্ধকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে স্থাপিত ‘মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্য’র কান বিচ্ছিন্ন করে দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে রাতেই ভাস্কর্যের ভেঙে ফেলা অংশটি পুনঃস্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ভাস্কর্যের আঘাতটি খেয়ালের বশে হয়েছে নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে—তা এখনো জানা যায়নি। কারা, কী উদ্দেশ্যে কাজটি করেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তা খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।
ছাত্র আন্দোলনের সূতিকাগার খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন। রাজনীতি, সংস্কৃতি চর্চা ও আড্ডার জন্য মধুর ক্যান্টিনের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। ক্যান্টিনের সামনেই মধুসূদন দে’র ভাস্কর্য। মধুর ক্যান্টিনের স্বত্বাধিকারী মধুসূদন দে’র সন্তান অরুণ কুমার দে বলেন, গতকাল সন্ধায় আমরা ভাস্কর্যের একটি কান বিচ্ছিন্ন পড়ে থাকতে দেখি। প্রক্টরিয়াল টিমকে জানালে তারা সঙ্গে সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হওয়া কানটি লাগিয়ে দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা জায়গাটি চিহ্নিত করেছি। খুব শিগিগরই এটিকে নেটওয়ার্কের আওতাধীন আনা হবে।
এর আগে ২০১৯ সালেও মধুর ক্যান্টিনের আশপাশে বেশ কয়েকবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায়ও কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনি। এখনো পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই এলাকায় লাগানো হয়নি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা।
