দোকান কর্মচারী থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া মনির হোসেন ওরফে ‘গোল্ডেন মনির’কে রাজধানীর বাড্ডা থানার তিন মামলায় ফের ৯ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই জন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পৃথক আদেশে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২২ নভেম্বর এসব মামলায় তার ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। তবে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সাত দিনের পৃথক রিমান্ড একত্রে চলমান থাকায় ১১ দিনে শেষ হয় এই রিমান্ড।
প্রথম দফা রিমান্ড শেষে গতকাল তাকে আদালতে হাজির করে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ইয়াসীন গাজী। অপর দিকে একই দিনে মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক জানে আলম দুলাল পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তিন দিন করে ছয় দিন এবং মাদক মামলায় অপর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুই মামলার রিমান্ডের আদেশ পৃথক হলেও জিজ্ঞাসাবাদ একত্রে চলবে।
রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। উল্লেখ্য, গত ২১ নভেম্বর মনিরকে আটক করার পর র্যাব-৩ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার পর বাড্ডা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় র্যাব বাদী হয়ে মনিরের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিশেষ ক্ষমতা ও মাদক আইনে তিনটি মামলা দায়ের করে।
