অগোছাল ফুটবলে পাঁচ গোল হজম

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:২৪

করোনার কারনে স্বস্থ্যবিধি মানতে গিয়ে ১২ হাজার দর্শকের দোহার আব্দুল্লা বিন খলিফা স্টেডিয়ামে মাত্র দুই হাজার দর্শককে মাঠে ঢুকতে দেয়া হয়েছিল। তারপরও সেই মাঠের দর্শক আওয়াজ টিভির পর্দায় শোনা যাচ্ছিল। ফুটবলময় উত্তেজনা দেখা গেছে। ১২৫ ধাপ উপরে থাকা কাতারের মাঠে কাতারের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশ পারবে না সেটা আগেই জানা ছিল। হয়েছেও তাই।

ফিরতি ম্যাচে কাতার সেটা হতে দেয়নি। কাতার জানত বাংলাদেশ সুযোগ পেলে বিপদ ঘটিয়ে দেবে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে পেয়ে সেই সুযোগ দেয়নি। ৯ মিনিটেই কাতারের আব্দুল আজিজ হাতিম গোল করেন ১-০। ৩৩ মিনিটে আকরাম আফিফ দ্বিতীয় গোল করেন ২-০। প্রথমার্ধেই ২-০তে পিছিয়ে যায়।  বাংলাদেশের জামাল ভুইয়া, সোহেল রানা, ইব্রাহিম, সাদ উদ্দিন, তপু বর্মন, বিপলু, বিশ্বনাথ, সুফিল, রিয়াদুলর একবারও গোছানো ফুটবল খেলতে পারেননি।

হাই ভোল্টেজ ম্যাচে গোলপোষ্টে জিকোর উপর দিয়ে ঝড় গেছে। এই গোলকিপার তার ক্যারিয়ারে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে কাল দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে পারলেন এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারের বিপক্ষে। ১০টি শট ঠেকিয়েছেন তিনি। একটি শট সাইডবারে লেগেও ফিরে আসে। কাতার যতটা ভালো খেলেছে তারচেয়েও বেশি ভুল করেছে বাংলার ফুটবলাররা। রক্ষণ ছিল যাচ্ছেতাই। আর একটু হলেই তপু বর্মন আত্নঘাতী গোল করে ফেলেছিলেন। গোল করার মতো কোনো সুযোগই পায়নি বাংলাদেশ। ফুটবলাররা কাউন্টার আক্রমনে গেলেও বার বার ভুল পাস দিয়ে নিজেরাই আক্রমন নষ্ট করেন। কাতারের গোলকিপারকে একবারও বল ধরতে হয়নি।

 ভুল পাসের ছড়াছড়িতে গোলকিপার জিকো শক্ত অবস্থানে থাকলেও কতোবার ঠেকাবেন তিনি। ৭২ মিনিটে বক্সে আল ময়েজকে ফাউল করেন বিপলু, পেনাল্টি দেন রেফারী। আল ময়েজ গোল করেন ৩-০। গতবছর এশিয়ান কাপে আল ময়েজ ৯ গোল করেছিলেন। সুদানী বংশোদ্ভুত কাতারের এই ফরোয়ার্ড ৭৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফাঁকায় দাঁড়িয়ে ৪-০। তপুকে তুলে নিয়ে কোচ জেমি ইয়াসিনকে, সুফিলের পরিবর্তে জীবন, বিপলুর পরিবের্ত সুমন রেজাকে নামান কোচ। যোগ হওয়া সময়ে পঞ্চম গোল করেন আকরাম আফিফ ৫-০। গত বছর ঢাকায় হোম ম্যাচে কাতার ২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশকে।