কুমিল্লার তিতাসে চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটিকে তার মা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলেও ১০ দিন পর্যন্ত খবর পায়নি থানাপুলিশ। এক সপ্তাহ পর তার মা বাদী হয়ে এক জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর গত শুক্রবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা খোঁজখবর নিয়েছেন। পলাতক একমাত্র আসামি সৌরভকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে দাবি পুলিশের।
ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, শিশুটির মা তাকে নিয়ে আমার কাছে এসে বিষয়টি জানায়। তখন আমি শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠায়। ছয়/সাত দিন পর শিশুর মা হাসপাতালের কিছু কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে এলে তখন আমি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করি।
তিতাস থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য এলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানাতে বাধ্য। তবে এই ঘটনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের অবহিত করেনি এটা খুবই দুঃখজনক।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, গাইবান্ধা শহরের ব্রিজ রোড কালিবাড়ীপাড়া এলাকায় চতুর্থ শ্রেণিপড়ুয়া এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে স্কুলের দপ্তরী কাম নৈশ্যপ্রহরী লাবন্য কুমার মহন্তকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ব্রিজ রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাহফুজার রহমান বলেন, গত সোমবার বিকালে পরীক্ষার প্রশ্ন নেওয়ার জন্য ঐ ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ডাকে লাবন্য মহন্ত। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে প্রশ্ন আনার জন্য শিশুটি বিদ্যালয়ে যায়। তখন লাবন্য মহন্ত বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিত্কার করলে লাবন্য পালিয়ে যায়। পরে ঐ ছাত্রী বিষয়টি তার অভিভাবককে জানায়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ঐ ছাত্রীর মা শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে সদর থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য, লাবন্য কুমার এক মাস আগেও এমন আরো একটি ঘটনা ঘটিয়েছিল।
