বিয়ের পর রীতা বুঝতে পারল তার স্বামী কিছু বর্ণ চিনতে পারে না, শ্বশুর শাশুড়ির কারো মধ্যে এই সমস্যা নেই। রীতা ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি বিষয়টি বুঝিয়ে দেন এবং রীতার সন্তান ছেলে ও মেয়েতে বিষয়টি প্রকাশের সম্ভাবনাও ব্যাখ্যা করেন।
(ক) বিউটি বোন কী?
(খ) অস্টিওন বলতে কী বোঝ?
(গ) রীতার স্বামীর রোগের কারণ ও উত্স ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) উদ্দীপকের বিষয়টি পুত্র ও কন্যা সন্তানে প্রকাশের সম্ভাবনা ভিন্ন-যুক্তি দ্বারা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর:
(ক) উত্তর:ইন্টার-ক্লাভিকুলার লিগামেন্ট দ্বারা উভয় ক্লাভিকল সংযুক্ত থাকে। এ অস্থিকে কণ্ঠাস্থি বা বিউটি বোন বলে।
(খ) উত্তর: অস্টিওন হলো নিরেট অস্থির গাঠনিক ও কার্যিক একক। নিরেট অস্থির মাতৃকায় অস্টিওন অবস্থান করে।
(গ) উত্তর: রীতার স্বামীর মূলত: বর্ণান্ধ রোগ হয়েছে। তিনি কিছু কিছু বর্ণ চিনতে পারেন না। মানুষের চোখের রেটিনায় বর্ণসংবেদী কোন কোষ উত্পাদনের জন্য একটি প্রকট সেক্স-লিংকড জিন প্রয়োজন হয়। এ জিনের প্রচ্ছন্ন অ্যালীল বর্ণসংবেদী কোন কোষ উত্পাদনে অক্ষম। সুতরাং রীতার স্বামী বর্ণান্ধতার জন্য দায়ী প্রচ্ছন্ন সেক্স-লিংকড অ্যালীলের উপস্থিতি। এ প্রচ্ছন্ন অ্যালীলটি পুরুষে উপস্থিত থাকলেই সে বর্ণান্ধ হবে। এটি একটি জিনগত বংশগতিয় রোগ। পিতা মাতার এ জিন থাকলে সন্তান-সন্ততিতে এটি ক্রমান্বয়ে সঞ্চারিত হয়। সাধারণত পিতা-মাতার কারো সেক্স ক্রোমোজোমে এ জিন থাকলে তাদের ছেলে-মেয়েদের এ রোগ হয়ে থাকে। রীতার স্বামীর মাতা বর্ণান্ধ বাহক বলে এই রোগ রীতার শাশুড়ি থেকে রীতার স্বামীর দেহে সঞ্চারিত হয়েছে।
