স্কোর বোর্ডে বড় রান নেই। উইকেট স্লো। রাতে শিশির পড়লেও বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে পেস বোলারদের দাপট চোখে পড়ার মতো। মুক্তার আলী, কামরুল ইসলাম রাব্বিরা দারুণ বোলিং করছেন। কন্ডিশন বিবেচনায় বল হাতে তাদের সাফল্যকে বেগবান করছে স্লোয়ার ডেলিভারি। ৬ ম্যাচে ১০ উইকেট পেয়ে গেছেন মুক্তার আলী। তার ক্রমাগত স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হতে দেখা গেছে ব্যাটসম্যানদের। বলের পেস কমিয়ে দেওয়ায় ব্যাটসম্যানরা বড় শটেও আটকা পড়ছেন বাউন্ডারির আগে।
কামরুল ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন। ৫ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে বোলারদের শীর্ষে মুস্তাফিজুর রহমান। তারপর আছেন শহীদুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুই জনেরই ১১টি করে উইকেট আছে। টুর্নামেন্টে স্লোয়ার বলই সাফল্য এনে দিচ্ছে পেসারদের। গতকাল এমনটাই বলেছেন ফরচুন বরিশালের পেসার আবু জায়েদ রাহী।
বাংলাদেশ টেস্ট দলের নির্ভরযোগ্য এই বোলার গতকাল বলেছেন, ‘বেশির ভাগ উইকেটগুলো হচ্ছে স্লোয়ার বলে। এমন না যে, জোরে বল করে উইকেট নিচ্ছে। এরকম খুব কমই হচ্ছে। বেশির ভাগ ব্যাটসম্যান আউট হচ্ছে স্লোয়ার ও ভেরিয়েশনে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি।’ উইকেট অনুযায়ী স্লোয়ারই পেসারদের উইকেট শিকারের মূল অস্ত্র হয়ে গেছে বলে মনে করেন ডানহাতি এই পেসার।
বাংলাদেশের টেস্ট দলের নিয়মিত পেসার রাহী অবশ্য বরিশালের হয়ে ৪ ম্যাচে ৩ উইকেট পেয়েছেন। তবে সেরা বোলারদের শীর্ষ আট জনই পেসার। সেরা দশের শেষ দুটি স্থান স্পিনারদের দখলে। খুলনার শুভাগত হোম ও ঢাকার রবিউলের দখলে আছে ৭টি করে উইকেট।
