বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের মাঝে সমস্যাটি খুব প্রকট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন—বিটিআরসির তথ্যমতে, এপ্রিল ২০১৯-এ ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৩৭ লাখ, এদের মধ্যে ৮ কোটি ৭৯ লাখ ব্যবহারকারী মুঠোফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। গেম আসক্তি চিন্তাচেতনার ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে, সামাজিক দক্ষতা কমিয়ে দেয়। গেম অ্যাডিকশন মাদকাসক্তির মতোই। পার্থক্য হচ্ছে এটি হলো আচরণগত আসক্তি। এর পরিণতি পারিবারিক, সামাজিক ব্যক্তিগত জীবন বাধাগ্রস্ত হবে। পড়ালেখা ও কর্মজীবনের মান কমে যাবে। মূলত একজন মানুষ অসমাজিক হয়ে উঠবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৯ সালের জুন মাসে অতিরিক্ত গেম আসক্তিকে মানসিক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলত বাবা-মা তাঁদের সন্তানকে শান্ত রাখতে হাতে তুলে দেন মোবাইলফোন। যা পরে তাদের ইন্টারনেট কিংবা গেম আসক্ত করে তোলে। তাই এ বিষয়ে প্রত্যেক অভিভাবকের দায়িত্বশীল হওয়া দরকার। খেয়াল রাখা জরুরি গেম খেললেও তা যেন অপরিমিত না হয়।
হাসনাত জাহান সিফাত
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা
