কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার চার আসামির রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক আজ মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আসামিদের রিমান্ড আবেদন করেন। দুই মাদ্রাসা ছাত্র আবু বক্কর ওরফে মিঠুন ও সবুজ ইসলাম নাহিদের ১০ দিন এবং শিক্ষক আল আমিন ও ইউসুফের সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালতের বিচারক রেজাউল করিম আজ মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার জানান, তদন্ত অব্যাহত আছে। রিমান্ডে এনে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে সব কিছু বেরিয়ে আসবে।
জেলা পুলিশের তথ্যমতে, ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে শনিবার রাতে শহরের জুগিয়া পশ্চিমপাড়া ইবনে মাসউদ (র.) মাদ্রাসা শিক্ষক মো. আল আমিন (২৭) ও মো. ইউসুফ আলী (২৬) এবং একই মাদ্রাসার ছাত্র মো. আবু বক্কর ওরফে মিঠুন (১৯) ও মো. সবুজ ইসলাম নাহিদকে (২০) গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার নেপথ্যের কারণসহ ক্লু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদিকে কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় এখনো কোনো ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ভাস্কর্য চত্বরের মাত্র ২৫/৩০ গজ দূরত্বে দায়িত্বরত পুলিশসহ জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ফিল্মি কায়দায় গুলিবর্ষণ ও কালো পতাকা টানিয়ে দুর্বৃত্তদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
