সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:৩১

সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ফাহমিদা আক্তার। এমনকি এখনো সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তার স্বামী জহিরুল আলম ও তার দুই শিশু সন্তান জাহিন (আট) ও জারিফা (ছয়)। ফাহমিদার অভিযোগ সন্ত্রাসীরা উলটো তার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্য মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে। তারা এতটাই প্রভাবশালী যে, তাদের ভয়ে এখন তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

জহিরুল আলম জানান, দক্ষিণ মুগদার ১/২৪/ডি নং বাড়িতে তার তিন পুরুষ ধরে বসবাস করছে। হঠাত্ করেই এই বাড়িতে দৃষ্টি পড়ে কয়েক জন সন্ত্রাসীর। গত ২২ অক্টোবর সকাল ৯টায় কয়েক জন পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে কয়েক জন সন্ত্রাসী বাড়িটি দখল করতে বাড়ির পূর্ব পাশের দেওয়াল ভাঙা শুরু করে। বাধা দিলে তারা জানায়, এই বাড়িতে মুগদা থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল খায়েরের জন্য নতুন বাড়ি করা হবে। এরপর তারা মারধর শুরু করে। তাদের চিত্কারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা দুই সন্তানকে অপহরণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুরো বাড়িতে ভাঙচুর করে লুটপাট করে। তারা পুলিশের সামনেই লাঠি ও রড দিয়ে নির্যাতন করে। এমনকি তাদের থানায় ধরে নিয়ে গিয়েও নির্যাতন করা হয়েছে।

ফাহমিদার অভিযোগ, থানায় এক পর্যায়ে তার পেটে লাথি মারা হয়। তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকায় সঙ্গে সঙ্গে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তার পেটের সন্তানটি নষ্ট হয়ে যায়। পরে তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। জামিনে ছাড়া পেলেও এখনো তারা বাসায় ফিরতে পারেননি। বর্তমানে ঐ চক্রটি পুনরায় মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।