মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতের ৫০ সদস্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের জোট বিজয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ২৯ জন নারী প্রার্থী। কিন্তু তাদের কেউ জিততে না পারায় এবার পুরুষরাই থাকছেন দেশটির আইনসভায়। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৩২৬ জন।
২০১২ সাল থেকে কুয়েতের পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব ছিল, যা গত বছরে এসে একজনে দাঁড়ায়। এবার তিনিও হেরে যাওয়ায় ৮ বছর পর নারী এমপি-শূন্য হলো দেশটি। এ ঘটনাকে ‘মেয়েদের জন্য হতাশাজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির উইমেন কালচারাল ও সোশ্যাল সোসাইটির প্রধান লুলওয়া সালেহ আল-মুল্লা।
জানা যায়, দেশটির পার্লামেন্ট সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ রয়েছে। এ কারণে শাসন ক্ষমতা থাকছে আমীর ও আল সাবাহ পরিবারের হাতে। মূলত তারাই সরকার গঠন ও পরিচালনা করে থাকে, দেশের নীতি গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নও তাদের হাতেই। এ বছরের নির্বাচনটি আলোচনায় আসার কারণ হলো- কুয়েতি নতুন আমীর নওয়াফ আল আহমেদ আল সাবাহ দায়িত্ব নেয়ার পর এটাই প্রথম নির্বাচন।
গত সেপ্টেম্বরে ৯১ বছর বয়সে মারা যান সাবেক আমীর শেখ আল সাবাহ। তবে শাসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ তৈরি করেছে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন। কেননা, প্রার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচন করার নিয়ম থাকলেও অনেকে তৈরি করেছেন অঘোষিত জোট বা গোষ্ঠী। রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে থাকা এমন ‘বিরোধী গোষ্ঠী’ এ বছর প্রায় অর্ধেক আসনে জয়লাভ করেছে। এ গোষ্ঠীটি গত নির্বাচনে ১৬টি আসন জিতেছিল, যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪টিতে।
-ডয়চে ভেলে
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
