চিকিত্সক সংকটে সেবা ব্যাহত

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩২

সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

সুজানগর (পাবনা) সংবাদদাতা

চিকিত্সক ও নার্স সংকটের কারণে পাবনার সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৯ জন চিকিত্সকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে শিশু, গাইনি, অর্থপেডিক্স, ডেন্টাল, চক্ষু ও মেডিসিনসহ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পদ ১০টি। বর্তমানে ঐ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন চিকিত্সক থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের অভাব রয়েছে। তাছাড়া হাসপাতালে ২৪ জন নার্স থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন ২০ জন। সুজানগর পৌর কাউন্সিলর মনসুর আলী শেখ মন্টু বলেন, ঐ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক এবং ছোট খাটো কাটা-ফাটাসহ ঠান্ডাজনিত রোগের চিকিত্সা পাওয়া গেলেও জটিল কোনো রোগের চিকিত্সা হয় না। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ কোনো ডাক্তার না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী ভর্তি হতে এলে জরুরি বিভাগ থেকেই তাকে পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বা কোনো ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলেও এখানে বড় কোনো চিকিত্সা পাওয়া যায় না। যেসব রোগী সর্দি, কাশি, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন তারাও সুষ্ঠু চিকিত্সা এবং ওষুধের অভাবে স্বেচ্ছায় ছাড়পত্র নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ত্যাগ করেন। গত সপ্তাহে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া রোগী মফিজ উদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তেমন কোনো ওষুধ সরবরাহ করা হয় না। বেশির ভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. সেলিম মোরশেদ বলেন, ৫০ শয্যার ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয়সংখ্যক ডাক্তার ও নার্স খুবই প্রয়োজন। অন্যথায় স্বল্পসংখ্যক ডাক্তার ও নার্স দিয়ে বৃহত্ এই জনগোষ্ঠীর চিকিত্সাসেবা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।