কোথায় এখন সেই দৃশ্য?

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৫৮

হালকা কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় উপকূলে এখন শীতের আমেজ চলছে। খেজুরগাছ কাটার এটাই মুখ্য সময়। শীত মানেই খেজুরের রস। শীত মৌসুমের শুরুতেই গাছিরা খেজুরগাছ থেকে রস আহরণের প্রস্তুতি নিতেন। কিন্তু আগের মতো খেজুরগাছ চোখে পড়ে না। এ কারণেই অলস সময় পার করছেন গাছিরা! পটুয়াখালী জেলার গলাচিপার রতনদী গ্রামের গাছিরা জানান, বছরজুড়ে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও শীতকালে উপকূলের চাষিদের কাছে খেজুরগাছের কদর বেড়ে যেত। কারণ এ গাছ থেকে আহরিত হতো সুমিষ্ট রস। আর এ রস জ্বাল দিয়ে ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালি তৈরি করা হয়। খেজুরের রস থেকে এক সময় বাদামি চিনিও তৈরি করা হতো, যার স্বাদ ও ঘ্রাণ সম্পূর্ণ ভিন্ন। খেজুরগাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস দেবে। প্রায় ৯০ ভাগ খেজুরগাছই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাই অলস সময় কাটাচ্ছেন গাছিরা।

খেজুরগাছ আমাদের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। অথচ এর পরিকল্পিত আবাদ নেই। উপরন্তু নির্বিচারে খেজুরগাছ কেটে ফেলা হচ্ছে! খেজুরগাছের সুমিষ্ট রসে কেবল রসনা তৃপ্তি নয়, আমাদের পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য সুরক্ষায় খেজুরগাছের আবাদ বাড়ানো জরুরি।

নিয়ামুর রশিদ শিহাব, গলাচিপা, পটুয়াখালী