‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড গর্বের ও আনন্দের’

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:০৭

মানবতা, সেচ্ছামূলক সেবা, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, সার্বজনীনতা ও স্বাধীনতা এমন কয়েকটি নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় একটি সংগঠন। দেশের নানা সুবিধাবঞ্চিত পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে কয়েকজন তরুণ মিলে গড়ে তোলেন এ সংগঠন। 

পাহাড়ি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করে যাওয়া উন্মেষ নামে এই সংগঠনটি এ বছর ঘরে তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের তরুণদের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলার ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’।

তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবনে সংগঠনটি ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাই এমন একটি স্বীকৃতিতে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। এমনটিই জানালেন সংগঠনের বর্তমান কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি বিটন চাকমা।

দীপেন চাকমা, পরম চাকমা, রিপন চাকমা, শিশির চাকমা,পার্কি চাকমা,মুন চাকমা এবং সুবিমল চাকমাসহ কয়েকজন যুবক মিলে প্রতিষ্ঠা করেন উন্মেষ। চিকিৎসাসেবায় অর্থাৎ সুযোগ-সুবিধা ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনেক পিছিয়ে এই পাহাড়বেষ্টিত তিন জেলা। সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে রক্ত সচেতনতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। 

বিনামূল্যে রক্তদান, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচিকেই সামনে রেখে সংগঠন সামনের পথে চলা শুরু করে। সেই ধারা এখনও সমানতালে অব্যাহত রয়েছে। 

আরো পড়ুন: ‘অটিজম নিয়ে সায়মা ওয়াজেদের কাজে উদ্বুদ্ধ হয়েই শুরু’ 

তবে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির চ্যালেঞ্জও কম ছিলো না। অর্থের যোগান দেওয়াটাই বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। এমনটিই উল্লেখ করলেন বিটন চাকমা। 

সংগঠনের বর্তমান কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি বিটন চাকমা বলেন, চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি উন্মেষ শিক্ষা ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করছে। এর সঙ্গে সম্পৃক্তরা সবাই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া। তাই নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি সংগঠনটি চালিয়ে নিতে অর্থের যোগান একটা বড় চ্যালেঞ্জ। 

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০ অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড গর্বের বিষয়, আনন্দের বিষয়। দেশব্যাপী তরুণদের কাজের স্বীকৃতিতে এমন একটি প্লাটফর্ম এর জন্য সিআরআই ও ইয়াং বাংলাকে ধন্যবাদ জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করছে উন্মেষ। ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হওয়া সংগঠনটি বঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিশুরা যাতে সঠিকভাবে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে এসব পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মাঝে ব্যাপক আকারে শিক্ষা সচেতনতা তৈরি করতে নিয়মিত কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ সংগঠনটি। 

ইত্তেফাক/এএএম