ফের ইউরোপার পথে ইউনাইটেড
স্পোর্টস ডেস্ক
দুই মহাতারকার দ্বৈরথের রাতকে জোড়া পেনাল্টিতে নিজের করে নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার জোড়া গোলে ভর করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বার্সেলোনাকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে জুভেন্তাস। ওদিকে রেডবুল লাইপজিগের কাছে ২-৩ গোলে পরাজয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল ইংলিশ দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
আড়াই বছর পর প্রত্যাবর্তন, ভিন্ন দলের হয়ে, ভিন্ন জার্সি গায়ে। কিন্তু মাঠে নামামাত্রই যেন সেই পুরোনো রোনালদো। স্বভাবসুলভ পেনাল্টির পর সেই স্বভাবসুলভ উদ্যাপন। জোড়া গোল করে ন্যু ক্যাম্পে ফেরার রাতকে এক কথায় স্মরণীয় করে রাখলেন এই পর্তুগিজ কিংবদন্তি। এ নিয়ে বার্সেলোনার মাঠে রোনালদোর গোলসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১৪তে, যে কোনো প্রতিপক্ষ মাঠেই যেটা তার সর্বোচ্চ।
ন্যু ক্যাম্পকে তাই তার প্রিয় প্রতিপক্ষ স্টেডিয়াম বললেও আর ভুল হবে না। রাতের নায়ক রোনালদো হয়ে থাকলে, খলনায়ক নিশ্চিতভাবেই বার্সেলোনার রক্ষণ। দুই সেন্টারব্যাক রোনাল্ড আরাওহো এবং ক্লেমেন লংলের ভুলের জন্যই বার্সাকে খোয়াতে হয়েছে দুটি পেনাল্টি। ওয়েস্টন ম্যাকেনির গোলটিও এসেছে রক্ষণভাগের অবহেলায়। রক্ষণভাগের চূড়ান্ত ব্যর্থতার রাতেও বার্সার একমাত্র আলো হয়ে জ্বলছিলেন লিওনেল মেসি। গোলমুখে দলের সাতটি শটের সাতটিই নিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন। ৩-০ গোলে জয় পাওয়া জুভেন্তাস পুরো দল বার্সার গোলমুখে শট নিয়েছে মাত্র চারটি। এই জয়ে বার্সেলোনাকে টপকিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নশিপের তকমাটা লুফে নিয়েছে ইতালীয় দলটি।
অন্যদিকে জার্মানির রেডবুল এরিনায় লাইপজিগের কাছে ২-৩ গোলে পরাজিত হয়েছে ওলে গুনার সোলশায়ারের ইউনাইটেড। প্রথম চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট ঘরে তোলার পর, মার্কাস রাশফোর্ডদের হিসেবটা ছিল এমন; শেষ দুই ম্যাচের একটিতে ড্র করলেই মিলবে নকআউট পর্বের টিকিট। কিন্তু টানা দুই ম্যাচ হেরে আবারও ইউরোপা লিগেই নাম নিবন্ধন করল সোলশায়ারের শিষ্যরা। ইউনাইটেডের পরাজয়ের ফলে ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোর টিকিট পাচ্ছে পিএসজি এবং লাইপজিগ। ‘এফ’ গ্রুপে ক্লাব ব্রুজের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে ২১ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল সিমন ইনজাগির ল্যাজিও। আর জেনিথের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে এই গ্রুপ থেকে পরের পর্ব নিশ্চিত করা অপর দল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
