করোনায় মারা গেছেন কামাল ইবনে ইউসুফ

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪১

সাবেক মন্ত্রী, পাঁচ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ...রাজিউন)। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে গতকাল বুধবার দুপুরে ইন্তেকাল করেন।

খালেদা জিয়ার দুই মেয়াদের সরকারে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করা কামাল ইবনে ইউসুফের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী ও চার কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের প্রথম জানাজা গতকাল বাদ এশা গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৩টায় ফরিদপুর শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে সর্বশেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে শহরের ‘ময়েজ মঞ্জিল’-এ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তার মৃত্যুতে বিএনপির নেতাকর্মী ও নিজ জেলা ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুর জেলার বাঙালি জমিদার পরিবারে ১৯৪০ সালের ২৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। কামাল ইউসুফের বাবা ছিলেন জমিদার চৌধুরী মঈজউদ্দীন বিভাশ। তার বাবা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) ব্রিটিশ শাসনামলে এক জন বিশিষ্ট মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন। তার চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ যোগ দেন। কামাল ইউসুফের চার মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য ফরিদপুর পৌরসভা নির্বাচনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বিএনপির মনোনয়নে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরো শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম।