প্রথম বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ পেল বরিশাল

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪৫

বরিশালে প্রথম বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে সাউথ এ্যাপোলো মেডিক্যাল কলেজ। গত ৬ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বদরুন নাহার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ সাউথ এ্যাপোলো মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে অনুমতির অনুলিপি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডিন ও বিএমঅ্যান্ডডিসির রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আদেশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালার শর্তপূরণ সাপেক্ষে প্রস্তাবিত সাউথ এ্যাপোলো মেডিক্যাল কলেজকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষকে সংশ্লিষ্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএমঅ্যান্ডডিসির অধিভুক্ত হতে হবে। এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে একাডেমিক অনুমোদন নিতে হবে।

জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম শিক্ষাবর্ষে ৫০ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জাগুয়া কালিজিরা এলাকায় ১১ একর জমির ওপর নির্মিতব্য সাউথ এ্যাপোলো মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পৃথক আবাসনব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে সেখানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতালে চিকিত্সা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখানে আইসিইউ, সিসিইউ, কার্ডিয়াক ইউনিট, ব্লাড ব্যাংক সুবিধা আছে। বর্তমানে প্রায় ১০টি বিভাগে চিকিত্সকরা সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আউটডোরে চিকিত্সা প্রদান করেন। এছাড়া জরুরি বিভাগ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল এ হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, পর্যায়ক্রমে এটা ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দক্ষিণাঞ্চলের সরকারি চিকিত্সাসেবা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীরা এখানে সুযোগ পাবে।

সাউথ এ্যাপোলো মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম মাহমুদ জানান, এ অঞ্চলে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজটি চালু হলে বরিশাল বিভাগের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের চিকিত্সাবিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি এলাকার জনগণ উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল হোসেন তাপস জানান, হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের কাজ চলমান রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এটিই হবে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত্ বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।