ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ও ভারত বায়োটেকের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পায়নি। তবে এখনই অনুমোদন না দিলেও সংস্থা দুটির ভ্যাকসিনকে বাতিলের খাতায় ফেলেনি দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)।
বুধবার সেরাম ইনস্টিটিউটের ‘কোভিশিল্ড’ এবং ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাক্সিন’–এর ব্যাপারে আরও তথ্য জানতে চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি বা এসইসি। পরবর্তী বৈঠকে ওই তথ্যগুলো খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এরপর তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ডিসিজিআই।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের প্রধান বলরাম ভার্গভ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের উপকার এবং ঝুঁকির অনুপাতে সন্তুষ্ট হলে তবেই কোনও সংস্থাকে প্রতিষেধক বাজারে ছাড়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
ইত্তেফাক/এআর
