ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৫২

ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজির বিরুদ্ধে। ফ্রান্সের একটি আদালতে সারকোজির বিচারের শুনানি চলছে এবং বুধবার (৯ডিসেম্বর) দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল সাবেক এই প্রেসিডেন্টের জন্য চার বছরের কারাদণ্ডের আবেদন জানিয়েছেন।

২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনকারী সারকোজির বিচারের শুনানি গত ২৩ নভেম্বর শুরু হয়েছে এবং তা আজ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সারকোজির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে উৎকোচ গ্রহণ ও তা গোপন রাখার প্রচেষ্টা এবং নির্বাচনী প্রচারাভিযানের কাজে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, ফ্রান্সের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট ২০০৭ সালের নির্বাচনী প্রচারের কাজে লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে পাঁচ কোটি ইউরো ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১১ সালে গণ অভ্যুত্থানে গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর তার জীবিত পুত্র সাইফুল ইসলাম গাদ্দাফির পক্ষ থেকে প্রথম এই অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

আরো পড়ুন: আরব আমিরাতে অস্ত্র বিক্রি করতে সফল ট্রাম্প

সম্প্রতি বিচারককে ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে আদালতের রায়কে নিজের অনুকূলে আনার প্রচেষ্টার দায়েও অভিযুক্ত হয়েছেন সারকোজি। সারকোজির কারাদণ্ড হলে তা হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের ইতিহাসে প্রথম কোনো ঘটনা যেখানে একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট দুর্নীতির অভিযোগে জেল খাটতে যাচ্ছেন।

ইত্তেফাক/ এএইচপি