পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও বর্তমানে চিকিত্সক, কর্মচারী ও চিকিত্সা সরঞ্জামের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। আর অ্যানিসথেশিস্ট এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সক না থাকায় ৯ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অপারেশন থিয়েটার। এদিকে বিদ্যুতের অভাবে চলছে না একমাত্র এক্সরে মেশিনটি। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে ২০১১ সালে উন্নত যন্ত্রপাতি দিয়ে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হলেও সার্জন ও অ্যানিসথেশিস্ট না থাকায় চালু হয়নি ওটি। ফলে গাইনি কনসালটেন্ট থাকলেও বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বছরের পর বছর অপারেশন থিয়েটার বন্ধ থাকায় অটোক্লাব মেশিন, অ্যানিসথেশিয়া মেশিন, ডায়াথার্মি মেশিন, ডেলিভারি টেবিল, ওটি টেবিল, ওটি লাইট এবং সার্জারি যন্ত্রপাতি অযত্নে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীদের হাসপাতালের সামনে গড়ে ওঠা প্রাইভেট ক্লিনিক কিংবা জেলা সদর হাসপাতালে দৌড়াতে হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়ছেন নিম্নআয়ের রোগী ও তাদের স্বজনরা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন শাহানাজ জানান, আমাদের আন্তরিকতা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকলেও সার্জন, অ্যানিসথেশিস্ট ও প্রয়োজনীয় চিকিত্সকের অভাবে অপারেশন থিয়েটার চালু করতে পারছি না। দ্রুত ওটি চালু ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি এবং যোগাযোগ রক্ষা করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
