পেটের মেদ

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৪৩

মেদ-ভুঁড়ি কী করি? কোথাও দাঁড়িয়ে থাকলেই হলো—ভুঁড়িটা আগ বাড়িয়ে থাকে। এমন ভুঁড়ি হলে বিব্রত হতে হয়। ঘরে বাইরে সর্বত্র। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তো আছেই। না খেয়ে থাকলেও ভুঁড়ি কমে না। না খেলে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। খেয়েই ভুঁড়ি কমানো যায়। তবে সেটা পরিমিত এবং সঠিকভাবে, যথাসময়ে। ফাস্ট ফুড ও কেকে আছে ট্রান্সফ্যাট—এগুলো শরীরের মেদ বাড়ায়। তলপেটে মেদ জমা হয়। জানা গেছে ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে। রাতের খাবার ভোররাতে নয়, সন্ধ্যারাতে খেতে হবে। রাত আটটার মধ্যে। খেয়েই বিছানায় গা এলানো যাবে না। ভাজা-পোড়া, উচ্চ তেলযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। কার্বোহাইড্রেডযুক্ত খাবার অল্প করে খাওয়া যাবে। তবে ভাত নয়, লাল আটার রুটিকে প্রাধান্য দিলে বেশি উপকার। মেদ কমানোর জন্য ভালো উপায় ফাইবার ও প্রোটিন যুক্ত খাবার বেছে নেওয়া। ডিম, শিম, মাছ, দুধ খাওয়া যেতে পারে। বাদামও। বাদাম ক্ষুধা কমায়। আবার শসা খেলেও ক্ষুধা কমে। গ্রিন টি দিনে দু কাপ খাওয়া যায়। গ্রিন টি মেদ কমাতে সাহায্য করে। আদা ও লেবুর রস দিয়েও রং চা খাওয়া যায়। কাঁচামরিচ মেটাবলিজম বাড়ায়। ভাতের সঙ্গে একটি কাঁচামরিচ খাওয়া যায়। কাঁচা রসুন খাওয়া যেতে পারে। সাগুদানা অ্যান্টিঅ্যাক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার— ক্যালসিয়াম, লোহা, প্রচুর ফাইবার আছে। শাকসবজির কোনো বিকল্প নেই। এক বাটি পাঁচমিশালি সবজি খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে। কুচি কুচি করে নয়। আবার খুব জ্বাল দেওয়া নয়। অল্প জ্বালে বড় বড় করে কাটা সবজি খাওয়া উত্তম। অবশ্যই কম মসলা দিয়ে। এতে সবজির পুষ্টিমান অক্ষুণ্ন থাকে। আবার পুষ্টির জোগানও হয়। দারুচিনি মেটাবলিজম বাড়ায়। মেদ কমাতে সাহায্য করে। ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমায়।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বনানী, ঢাকা