বাঙ্গালী নদীর পাড় কেটে মাটি বালু তোলার অভিযোগ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৫৯

শেরপুর উপজেলায় বাঙ্গালী নদীর চর কেটে অবৈধভাবে মাটি, বালু কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বিচারে মাটি কাটায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীপাড়ের ফসলি জধম, বসতবাড়ি ও খেয়াঘাটে যাওয়ার রাস্তা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নে বাঙ্গালী নদীর চোমরপাথালিয়া বাজার অংশে নদীর চর ও তীরবর্তী ফসলি জমি থেকে প্রায় ৮-১০ ফুট গভীর করে এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ট্রাকে ভরে এসব মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে।

জানতে চাইলে সোলায়মান আলী, আলাউদ্দিন মেম্বারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, নদী তীরবর্তী বিশ শতক জমি ব্যক্তি মালিকাধীন। চোমরপাথালিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবর রহমানের ছেলে সবুজ ও মাসুদের নিকট থেকে তাদের জমির মাটি কিনে নেন সুঘাট ইউনিয়নের আতিকুর রহমান রঞ্জু। পরে তিনি নদীর চর সরকারি জমি থেকেও দিনরাত মাটি কাটছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান রঞ্জু বলেন, দেড় থেকে দুই বছর ধরে মাটি, বালুর কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বেকার হয়ে পড়েছি। এজন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মাটি কিনে তা বিক্রি করছেন। নদী বা সরকারি কোনো জমির মাটি কাটছেন না বলেও দাবি করেন তিনি। আবু সুফিয়ান নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, নদীর চর ও তীরবর্তী জমি থেকে মাটি কাটা অব্যাহত থাকায় বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও খেয়াঘাটে যাওয়ার সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, শুধু এখান থেকেই মাটি কাটা হচ্ছে এমন না, করতোয়া ও বাঙ্গালী নদীর একাধিক জায়গা থেকেও একইভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ এ প্রসঙ্গে বলেন, মাটি কাটার বিষয়টি জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।