কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। গত ৪ ডিসেম্বর স্বাগতিক কাতারের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৫-০ গোলে হেরে ঘরে ফিরে আসে। রয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া। সেখানে থাকাকালীন জামাল করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাফুফে। গতকাল দুপুরে বাফুফে জানায়, ফুটবল অধিনায়ক জামাল দোহায় হোটেল কক্ষেই কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।
নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও বাফুফে জানিয়েছিল কাতারের বিপক্ষে হারের পর জামাল ভুঁইয়া সেখানে অবস্থান করছিলেন বেড়ানোর জন্য। গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরার জন্য বিমানে ওঠার আগে কাতারে করোনা টেস্ট করতে নমুনা দেওয়া হয়। সেই টেস্টেই তিনি পজিটিভ শনাক্ত হন। বাধ্য হয়েই জামাল ভুঁইয়াকে কাতারের দোহায় অবস্থান করতে হচ্ছে। বাফুফে জানিয়েছে, জামাল ভুঁইয়ার করোনা হলেও তার উপসর্গ নেই। ধারণা করা হচ্ছে দোহায় ঘোরাঘুরি করার সময় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।
জামালের আক্রান্ত হওয়ার খবর ইংল্যান্ডে কোচ জেমি ডের কানেও চলে গেছে। তিনি জামালের সঙ্গে কথা বলেছেন। খোঁজখবরও নিয়েছেন। সান্ত্বনা দিয়েছেন কোচ। কারণ এই কোচ ঢাকায় থাকাকালীন করোনায় ভুগেছেন। বিশেষ করে ঢাকায় বাংলাদেশ ও নেপাল ফুটবল দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে করোনা আক্রান্ত হন। নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে জেমি মাঠে আসতে পারেননি। দলের সঙ্গে কাতারেও যেতে পারেননি। চার বার দফায় দফায় টেস্ট করানো হলেও তিনি পজিটিভ শনাক্ত হন। পঞ্চম বার দিয়ে ফল নেগেটিভ আসে। হোটেল রুমে কীভাবে একা একা কাটিয়েছিলেন, কীভাবে নিজেকে শক্ত রেখেছিলেন তা নিয়েও নাকি কোচ জেমি তার খেলোয়াড় জামাল ভুঁইয়াকে পরামর্শ দিয়েছেন।
জানা গেছে, জামালকে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামাল দিতে বলেছেন জেমি। জামাল ভুঁইয়া ঢাকায় ফিরে কলকাতায় যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে আইলিগে মোহামেডানে খেলবেন তিনি। চুক্তিও হয়েছিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের এই অধিনায়কের সঙ্গে। কিন্তু করোনার কারণে কলকাতার মাঠে জামাল খেলতে পারবেন কি না তা নিয়ে একটা শঙ্কা রয়ে গেল করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে।
