গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রক্ষায় চাই জাতীয় সুরক্ষা কমিশন

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:২৭

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার দেশের অহংকার। এটির সুরক্ষা প্রতিটি নাগরিকের যেমন দায়িত্ব তেমনি সরকারেরও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। দেশের গর্ব সৈকত ও বঙ্গবন্ধুর সৃজিত ঝাউগাছ কোনোভাবে নষ্ট ও উপড়ে ফেলা যাবে না। সমুদ্র পাড়ে ঝাউগাছ রক্ষাসহ সৈকত রক্ষায় জাতীয় সুরক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে কক্সবাজার নাগরিক ফোরাম আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক আ ন ম হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতিসত্তার কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা।

বৈঠকে বক্তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আরো বলেন, কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ঝাউগাছ আমাদের অক্সিজেন। এটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্দি করা মানে বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছাকে বন্দি করার শামিল। সব দিক উন্মুুক্ত করে বিমান ঘাঁটি শহরের পাশে খুরুশকুল অথবা রামুর চেইন্দায় করার জন্য প্রস্তাব রেখে সমুদ্র পাড়ে প্রস্তাবিত বিমান ঘাঁটির স্থানে শেখ হাসিনা সমুদ্র জাদুঘর করা হোক। একই সঙ্গে ইনানীতে সৈকত দখল করে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বক্তারা তীব্র নিন্দা জানান। এছাড়া অবিলম্বে এ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করে মেরিন ড্রাইভকে সাগরের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবি জানান তারা।

আলোচনায় অংশ নেন ভাস্কর রাশা, বিমান বাহিনীর (অব.) কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন লোকমান ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. যোবায়ের মোহাম্মদ এহেসানুল হক, কমিশনার গোলাম হোসেন, সাংবাদিক কে এম শহীদুল হক, জনপ্রশাসন পত্রিকার সম্পাদক নঈম মাশরেখী, কবি ইয়াদি মোহাম্মদ, নাগরিক ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যাপক আনোয়ারুল হক, মোর্শেদুর রহমান খোকন, মুরাদুল কবির ও হাজি মো. ইলিয়াস।