বরিশালে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনায় এক আসামির যাবজ্জীবনসহ তিন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে আদালত।
আসামির নাম সায়েম আলম মিমু। তাকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন এবং আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় প্রদান করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের পরিবার।
আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, ধর্ষণের দায়ে আসামি মিমুকে যাবজ্জীবন ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। এছাড়া চুরির কারণে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। ২
০১৬ সালের ১০ আগস্ট বরিশাল নগরীর চকবাজারের হোটেল ফেয়ার স্টারে এই হত্যার ঘটনা ঘটে। নগরীর মুসলিম গোরস্থান রোডের বাসিন্দা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী নাঈমা ইব্রাহিম ঈশীর লাশ ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট ঐ হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে ঐ দিনই কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ঐ হোটেলের মালিক আব্দুর বিশ্বাস এবং ম্যানেজার মজিবুর রহমান আকনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যানুসারে ফেসবুক প্রেমিক সায়েম আলম মিমুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
