অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পাখি। উড়তে পারে না। খুবই নিরীহ প্রকৃতির। মুরগির মতো এরা দলবদ্ধ হয়ে মাঠে চরে বেড়ায় এবং ঘাস, পাতা, নুড়ি পাথর খেয়ে থাকে। এরা চরম ঠান্ডা ও চরম গরম—দু অবস্থাতেই নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে। বাংলাদেশের তাপমাত্রায় ইমু পাখির কোনো সমস্যা হয় না। ইমু পাখি সাধারণত এক থেকে দেড় বছর বয়সে শারীরিক পূর্ণতা লাভ করে। ২৫ বছর পর্যন্ত প্রজনন ক্ষমতা থাকে। ২০-২৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে।
ইমু সাধারণত ৫-৬ ফুট উঁচু হয়। প্রতিটির ওজন ৪০ থেকে ৬০ কেজি হয়ে থাকে। স্ত্রী ইমু পাখি দেড় থেকে দু বছর বয়সে প্রজনন ক্ষমতা লাভ করে। সাধারণত অক্টোবর থেকে মার্চ এই ৬ মাস ডিম দেয়। বছরে ২৫ থেকে ৩৫টা পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। ইমু পাখির ডিম সবুজ রঙের এবং আকারে মুরগির ডিম থেকে ১০-১২গুণ বড়। প্রজননকালে এরা ৩ থেকে ৫ দিন পরপর ডিম পাড়ে। ডিম থেকে ফোটা ছানা দেখতে হালকা বাদামি রঙের, চার মাস বয়েসের পর সেই বাদামি রং গাঢ় হয়ে ওঠে। এক বছর বয়সের পর বাদামির ওপর কিছু নীলাভ সবুজ পালক দেখা দেয়। দেড় বছর পর গায়ের রং একেবারেই বাদামি বর্ণ ধারণ করে। বর্তমানে আমাদের দেশে দু-এক জায়গায় বাণিজ্যিকভিত্তিতে এ পাখি পালন করতে দেখা যায়।
মো. রেদোয়ান হোসেন
