পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হয়েছেন তাদেরকে পর্ষদ পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঐ সব কোম্পানিতে দুই জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগসহ বেশকিছু শর্ত দিয়ে এ পর্ষদ গঠনের কথা বলেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
গতকাল রবিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনাটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ২৫ নভেম্বর বিএসইসির ৭৫০তম কমিশন সভায় পর্ষদ পুনর্গঠনের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কমিশনের অনুমোদনসাপেক্ষে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ কোম্পানির পর্ষদ অতিরিক্ত দুই জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেবে। যারা ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বিষয়টি তদারকি করবে এবং পর্ষদে এক বছর মেয়াদের জন্য থাকবে। তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করবে। এছাড়া স্বতন্ত্র পরিচালকরা প্রতি প্রান্তিক শেষ হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেবে।
এ জাতীয় কোম্পানিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার নিশ্চিত করতে কমিশনের নির্দেশনা দেওয়ার পরবর্তী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে হাইব্রিড সিস্টেমে (সশরীর বা ডিজিটাল) সাধারণ সভার (এজিএম বা ইজিএম) আয়োজন করবে।
নতুন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের জন্য সিডিবিএলের পর্ষদ তিন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ গঠন করা ঐ কমিশন শেয়ারহোল্ডারদের সাধারণ সভায় নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করবে।
সিডিবিএল ঐ নির্বাচনের জন্য কমপক্ষে ২ শতাংশ শেয়ার ধারণ করা যোগ্য প্রার্থীর তালিকা প্রদান করবে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা ও প্রয়োজনীয় তথ্য কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ঐ তালিকার মধ্য থেকে কোম্পানির পর্ষদ পরিচালক পদে নির্বাচনের জন্য যোগ্য প্রার্থী সুপারিশ করবে।
৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের উদ্দেশ বাস্তবায়নে যদি কোম্পানির পর্ষদ না থাকে বা বিদ্যমান পর্ষদের কোনো সুপারিশ না থাকে, তাহলে সিডিবিএলের সরবরাহ করা তালিকাই পরিচালক পদে নির্বাচনের জন্য সুপারিশকৃত যোগ্য প্রার্থী হবে।
