নারী ফুটবল লিগ শেষ। কমলাপুর স্টেডিয়ামে শেষ খেলা দিনে পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস এক ম্যাচ আগেই শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছিল। গতকাল সাবিনা, কৃষ্ণা, তহুরা, আঁখিরা নতুন ব্লেজার গায়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে মাঠে গিয়েছিলেন। রানার্সআপ হয়েছে নাসরিন স্পোর্টস একাডেমি। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেছেন, ‘আগামীতে নিয়মিত খেলা হবে। বন্ধ থাকবে না। নতুন দল সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করব।’
সঙ্গে আক্ষেপের কথাও শুনিয়েছেন বাংলাদেশের এই সাবেক স্ট্রাইকার। লিগটাকে জমজমাট করতে আরো বেশি দলের অংশগ্রহণের কথা বলেছেন তিনি। সাত দল নিয়ে আয়োজিত লিগে বসুন্ধরা কিংস বড় বাজেট খরচ করে জাতীয় নারী দলের প্রায় সব খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠন করে। তাদের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারেনি। ১২ ম্যাচে ১১৯ গোল করেছে বসুন্ধরা। একটি ম্যাচও হরেনি। বসুন্ধরা প্রথমবার এসেই যেন একতরফা খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কোনো দলই প্রতিরোধ গড়েতে পারেনি। তাই আগামীতে অন্যান্য দলকে শক্তিশালী কারতে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা যদি লিগের বিভিন্ন দলে খেলতে পারে তাহলে সব দলের মধ্যে সমান লড়াই হবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। কথা উঠেছে পুল করা যায় কি না। বাফুফে সভাপতি সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন পুলের বিষয়টি সভায় তুলবেন তিনি। এছাড়াও করপোরেট লিগ করার ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইছে বাফুফে। চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা ৩ লাখ, রানার্সআপ নাসরিন স্পোর্টস একাডেমি ২ লাখ, সবাইকে ছাপিয়ে বসুন্ধরার তহুরা খাতুন লিগের সেরা প্লেয়ার এবং একই দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন লিগে ৩৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। দুই জনকেই ৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।
